মেডিকেলের প্রশ্ন ফাঁ’স নিয়ে চা’ঞ্চল্যকর তথ্য সিআইডি’র কাছে
নিউজ ডেস্ক।। মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁ’স নিয়ে চা’ঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে প্রশ্নপত্র জা’লিয়াত চক্রের সদস্যরা। এর সঙ্গে ওই চ’ক্রের ২০০ জনের জ’ড়িত থাকার প্রমাণ ইতোমধ্যে সিআইডির হাতে এসেছে। এমনটাই জানিয়েছে পুলিশের অ’পরাধ তদ’ন্ত বিভাগ (সিআইডি) এক ত’দন্ত কর্মকর্তা।
দেশের শীর্ষ স্থানীয় অনলাইন পোর্টালের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। ওই চ’ক্রটির তিন সদস্যকে গ্রে’ফতারের পরই এমন তথ্য পায় সি’আইডি। জড়িত ওই ২শ জনের মধ্যে জা’লিয়াতি করে বিভিন্ন সরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরাও রয়েছেন। তাদের মধ্যে বেশ কিছু শিক্ষার্থীর নামও জানা গেছে।
এর আগে, প্রশ্নপত্র ফাঁ’সের ঘটনায় ২৩ জুলাই গ্রে’ফতার ৫ জনের ৩ জনকে ৭ দিন করে রি’মান্ডে পাঠায় আদা’লত। বাকি দু’জন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
‘
এর আগে এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের অ’পরাধ ত’দন্ত বিভাগ (সি’আইডি) জানায়, স’ন্দেহভাজন হিসেবে গত ১৯ জুলাই এস এম সানোয়ার হোসেনকে গ্রে’ফতার করা হয়। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে মিরপুরে অ’ভিযান চালিয়ে গ্রে’ফতার করা হয় আরো ৫ জনকে।
সিআইডি জানায়, প্রেসের মেশিনম্যান সালাম এবং তার খালাতো ভাই জসীম- এ দুজন গড়ে তুলেছিলেন এ চ’ক্র। দীর্ঘদিনের অ’নুসন্ধানে পুরো চ’ক্রটিকে চিহ্নিত করেছে সি’আই’ডির ত’দন্তকারী দল।
প্রশ্নপত্র ফাঁ’স করা চক্রের সদস্যদের অ’বৈধ সম্পদেরও খোঁজ পেয়েছে সিআইডি। চ’ক্রের হোতা জসিমের ঢাকায় দুটি বাড়ি ও একটি গাড়ি থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। এর আগে ২০ জুলাই গ্রে’ফতা’রের পর সিআইডি জানিয়েছিল, জসিমের কাছে ২ কোটি ২৭ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র এবং ২ কোটি ৩০ লাখ টাকার চেক পাওয়া গেছে। এ ছাড়া পারভেজের কাছ থেকে ৮৪ লাখ টাকার চেক পেয়েছিল সি’আইডি।
সিআইডি আরো জানায়, দেশব্যাপী চ’ক্রটির প্রায় অর্ধশত সহযোগীর খোঁজ পাওয়া গেছে। আ’সামিরা সং’ঘবদ্ধ চক্র হিসেবে ২০১৩ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ছাপাখানা থেকে মেডিকেল ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস করেছে। মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে শিক্ষার্থীদের কাছে সেই প্রশ্ন পৌঁছে দিতো তারা।
সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টারের বিশেষ সুপার এস এম আশরাফুল আলম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তিন আ’সামি জি’জ্ঞাসাবাদে তাদের আশ্রয়–প্রশ্রয়দাতা, সহযোগিতাকারী এবং জা’লিয়াতি করে যারা মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তি হয়েছেন তাদের সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। ভর্তি হওয়া কিছু শিক্ষার্থীর নামও বলেছেন তারা। এসব তথ্যের ভিত্তিতে অ’ভিযুক্তদের ধরতে অ’ভিযান চালানো হচ্ছে।
এছাড়া, রোববার (২৬ জুলাই) সি’আইডি জানায়, প্রয়োজনে স্বাস্থ্য অধিদফতরের কর্মকর্তাদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। উৎস: সময়নিউজ।






