কিছু ধ’র্মীয় বই ও শালিন কাপড় সহ জায়নামাজ চাইলেন সাবরিনা
নিউজ ডেস্ক : করো’না পরীক্ষার সনদ জালিয়াতির অ’ভিযোগে গ্রে’প্তার হওয়া জেকেজি’র (জোবেদা খাতুন সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা) প্রধান নির্বাহী কর্মক’র্তা আরিফুল চৌধুরীকে ৪ দিনেররি’মান্ডের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রোববার (১৯ জুলাই) আ’দালতে পাঠায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পু’লিশ। আ’দালত আরিফুলকে কা’রাগারের পাঠানোর নির্দেশ দেয়।
অ’পরদিকে, এই মা’মলায় দ্বিতীয় দফার ২ দিনের রি’মান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে জেকোজি’র চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা চৌধুরীকে আজ সোমবার (২০ জুলাই) আ’দালতে পাঠানো হবে। তাকে আর রি’মান্ড চাইবে না ডিবি পু’লিশ।একটি সূত্র জানিয়েছে, সাবরিনাকে আজ রি’মান্ডে শেষ আ’দালতে তোলা হবে।
এর আগেই তিনিপরিবারের সদস্যদের কাছে জায়নামাজ চেয়েছেন। সঙ্গে প্রয়োজনীয় কিছু ধ’র্মীয় বই ও শালিন কাপড় চেয়েছেন।ডিবির যুগ্ম কমিশনার মাহবুব আলম জানান, করো’না পরীক্ষার সনদ জালিয়াতির অ’ভিযোগে গ্রে’প্তার হওয়া জেকেজি (জোবেদা খাতুন সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা) চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনাচৌধুরী ও
তার তার স্বামী প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মক’র্তা (সিইও) আরিফুল চৌধুরীর কাছ থেকে যেসব তথ্য পাওয়া গেছে সে অনুযায়ি মা’মলা সাজানো হবে।তারা কোন কোন প্রতিষ্ঠানে জালিয়াতি করেছে সে বিষয়ে আমাদের কাছে স্বীকার করেছে। তাছাড়া তাদের কম্পিউটারেও জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়া গেছে।তা তাদের বি’রুদ্ধে অ’ভিযোগ প্রমানে যথেষ্ট বলে মনে করছে মা’মলার ত’দন্ত সংস্থা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা ও অ’প’রাধ ত’দন্ত বিভাগ (ডিবি)।সাবরিনাতিনি বলেন, আরিফ ও সাবরিনার স্বীকারোক্তিমূলক জবানব’ন্দির প্রয়োজন নেই। তাদেরকে কারাগারে আ’ট’ক রাখার আবেদন করা হবে। আজ জে’ল হাজতে পাঠানোর আবদেন জানিয়ে আ’দালতে পাঠানো হবে।এদিকে ঢাকা মহানগর পু’লিশের প্রসিকিউকশন বিভাগের উপ-কমিশনার জাফর হোসেন বলেন, রবিবার বিকালে আরিফ ও তার ভগ্নিপতি সাঈদ চৌধুরীকে আ’দালতে হাজির করা হয়।পুনরায় রি’মান্ড আবেদন না থাকায় তাদেরকে জে’লহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আ’দালত। আরিফ ও সাঈদেও জে’ল হাজাতে পাঠানোর আবেদনের বিরোধিতা করেন আসামী পক্ষের আইনজীবীরা।
তাদের আবেদন খারিজ করে মা’মলার সুষ্ঠ ত’দন্তের স্বার্থে জে’ল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।জেকোজি’র প্রতারণার ফাঁদ‘আমি জেকেজির চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা বলছি। অ’পনাদের কোম্পানীতে কতজন শ্রমিক আছে। অ’পর প্রান্ত থেকে নজরুল ইস’লাম নামে একজন বলেন, সাত শতাধিক শ্রমিকের করো’নাটেষ্ট করাতে চাই। ঠিক আছে বলে, ডা. সাবরিনা তাকে বলেন, জন প্রতি দুই হাজার টাকা লাগবে।তখন নজরুল ইস’লাম তাকে বলেন, দেখু’ন আপা, যেখানে সরকারীভাবে করো’না টেস্ট করতে কোনো টাকাই লাগে না আপনি কেন এত টাকা দাবি করছেন। তখন ডা. সাবরিনা বলেন, ঠিক আছে দুইশ টাকা কমে জনপ্রতি ১৮ শ টাকা করে দিয়েন। আমি প্রতিনিধি পাঠাচ্ছি।
এভাবে টঙ্গির এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের সাতশ শ্রমিককের করো’না ভাই’রাস ( কোভিড-১৯) শনাক্ত করতে ১২ লাখের বেশি টাকা নেয় জেকেজি হেলথ কেয়ার।গত মে মাসের এই পরীক্ষায় কারখানাটির সাতশ শ্রমিকের করো’না টেস্টে ৭০ জনের পজেটিভ বাকিদের নেগেটিভ ধ’রা পড়ে।পরে কোম্পানীটি ওই ৭০ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখেন। ১৪ দিন ফের তাদেরকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিভা’র ক্লিনিকে পরীক্ষা করলে সবার নেগেটিভ আসে।একইভাবে জেকেজির প্রতারণার শিকার কামাল হোসেন বলেন, ‘আমি ও আমা’র পরিবারের সবাই জেকেজি হেলথকেয়ারে গিয়ে করো’না পরীক্ষা করে প্রতারিত হয়েছি।
করো’না টেস্টের কথা বলে প্রতিষ্ঠানটিকে ৪৫ হাজার টাকা দিতে হয়। এতে তেজগাঁও থা’নায় একটি মা’মলাও করেছি।সাবরিনারা মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে। দোষীরা শা’স্তি পাক এটা আমি চাই।’ এছাড়া চাইনিজ নাগরিকসহ মেট্টোরেল প্রকল্পের কর্মক’র্তা ও কয়েকশ শ্রমিককে করো’না টেষ্টের নামে লাখ লাখ হাতিয়ে নেওয়ার তথ্য পেয়েছে ডিবি।করোনা পরীক্ষার সনদ জালিয়াতির অ’ভিযোগে গত ২৩ জুন জেকেজির প্রধান নির্বাহী কর্মক’র্তা আরিফুল হক চৌধুরীসহ প্রতিষ্ঠানটির ছয়কর্মক’র্তাকে গ্রে’প্তার কওে তেজগাঁও থা’না পু’লিশ। গত ১২ জুলাই জেকোজি’র চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনাকে গ্রে’ফতার করে।






