332226

রিজেন্ট হাসপাতালে লিম্পা হ’ত্যা মা’মলার চার্জশিটে সাহেদের নাম নেই

নিউজ ডেস্ক।। ২০১৭ সালে ১৪ ফেব্রুয়ারি রিজেন্ট হাসপাতালের মিরপুর শাখায় জান্নাতুল ফেরদৌস লিম্পা নামের একজন কিশোরীর মৃ’ত্যু ঘটে।

লিম্পার বাবা বলেন, মেয়ের বেঁকে যাওয়া হাত ঠিক করতে পঙ্গুতে ভর্তি করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সাইফুল নামের একজনের কথায় রিজেন্ট হাসপাতালে ভর্তি করি।

বিকেল ৪টার দিকে চিকিৎসকরা তাকে অপারেশন থিয়েটারে নেয়। দুই ঘণ্টা পর চিকিৎসকরা জানান, লিম্পার অবস্থা খারাপ। তাকে আইসিইউতে নিতে হবে। পরে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নেয়ার সময় পথে মারা যায় লিম্পা। সেখানে নেয়ার পর ডাক্তার বললেন যে, এই মেয়ে তো অনেক আগেই মা’রা গেছে।

পল্লবী মডেল থানার তৎকালীন ওসি দাদন ফকির সাংবাদিকদের জানান, ফারুক নামের যে ডাক্তার এনেস্থেসিয়া দিয়েছিলো সে আমাদের জানায় আসলে আমি ডাক্তার না। আমি এসএসসিও পাস করিনি। সাহেদ আমাকে এ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার দিয়েছে। আমি এনেস্থেসিয়া দিয়েছি। পরে মেয়েটি মা’রা যায়।

লিম্পার বাবা বাদী হয়ে চিকিৎসক ফারুক হোসেন, রিজেন্ট হাসপাতালের মিরপুর শাখার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেজবাহ, দালাল সাইফুল ও নাছির নামের চারজনকে আ’সামি করে পল্লবী থানায় হ’ত্যা মা’মলা করেন। ঘটনার দিনই মূল আ’সামি ফারুককে গ্রে’প্তার করে পুলিশ। ফারুক বর্তমানে কা’রাগারে।

মা’মলার ত’দন্ত শেষে পিবিআই অ’ভিযুক্ত চারজনকে আ’সামি করে ২০১৯ সালের জুলাই মাসে আ’দাল’তে চার্জশিট দাখিল করেন। তবে সেখানে সাহেদের নাম নেই।

পিবিআইর ত’দন্তকারী কর্মকর্তা পরিদর্শক মো. কবির হোসেন বলেন, ভু’য়া চিকিৎসক নিয়োগের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

ad

পাঠকের মতামত