অ’পরাধ প্রমাণ হলে মৃ’ত্যুদণ্ডও হতে পারে রিজেন্ট সাহেদের
নিউজ ডেস্ক : রিজেন্টের সাহেদের বি’রুদ্ধে অ’স্ত্র আইনে মা’মলা দায়ের করা হয়েছে। প্রসিকিউশন প্রমাণ করতে পারলে কমপক্ষে ১০ বছর সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন সাজা হবে বলে জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী খুরশিদ আলম খান।
তিনি বলেন, সাহেদের বি’রুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে জা’ল মুদ্রার একটি মা’মলা করেছে র্যাব। এটি প্রমাণ করতে পারলে মৃ’ত্যুদ’ণ্ড বা যাবজ্জীবন বা ১৪ বছরের সশ্রম কারাদ’ণ্ড হতে পারে তার। এছাড়া অনকেগুলো প্র’তারনার মামলা রয়েছে। সেখানে দণ্ডবিধির ৪২০ ধারায় সর্বোচ্চ সাত বছরের সা’জা হতে পারে সাহেদের।
খুরশিদ আলম খান বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সঙ্গে রিজেন্ট হাসপাতালের যে চুক্তি হয়েছে তার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে অনুসন্ধানের জন্য দুদক টিম গঠন করেছে। চুক্তি অবৈধভাবে হয়ে থাকলে জড়িতদেরকে খোঁ’জে বের করা হবে। আর এই চুক্তির ফলে সরকারের কোন টাকা ক্ষতি হয়েছে কি না সেটা দেখা হবে। প্রয়োজনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডিজি এবং আরও উর্ধ্বতনদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। আর কোন কিছু উদ্ঘাটন হলে সবার বি’রুদ্ধে অপ’রাধের ধরন অনুযায়ী মা’মলা হবে।
তিনি আরও বলেন, শাহেদের অবৈধ সম্পদের উৎস সম্পর্কে জানতে পৃথক অনুসন্ধান কমিটি গঠিত হয়েছে। উৎস যদি জ্ঞাত আয় বহির্ভুত হয় বা উৎসের সঙ্গে আয়ের মিল না থাকলে মা’মলা হবে। সেখানে কোন মানিলন্ডারিং এবং কাউকে ঘু’ষ দেয়ার প্রমাণ পেলে যাকে দিয়েছে তাকেসহ মা’মলা হবে।






