331852

সাহেদের আইন বিষয়ে ডিগ্রি না থাকলেও ল’চেম্বার ছিল

নিউজ ডেস্ক।। আইন বিষয়ে কোনও ডিগ্রি ছিল না তার। তারপরও ল’ চেম্বার করেছিলেন রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ ওরফে সাহেদ করিম। রাজধানীর উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরের ২০ নম্বর সড়কের ৬২ নম্বর বাসার চতুর্থ তলার একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে করেছিলেন চেম্বারটি।

বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে এই বাসায় অভিযান চালায় র‍্যাব। সেখান থেকে জাল টাকা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‍্যাবের একটি সূত্র।

বাড়িটির কেয়ারটেকার তারা মিয়া বলেন, ‘দুই মাস আগে বাড়ির চার তলার একটি ফ্ল্যাট ৩০ হাজার টাকায় ভাড়া নিয়েছিলেন সাহেদ। বাড়ি ভাড়া নেওয়ার আগে সাহেদের লোকজন ফ্ল্যাটটি দেখে যান এবং বাড়ির মালিক ইয়াহিয়া খানের সঙ্গে আলোচনা করেন। চুক্তি অনুযায়ী মাসে ৩০ হাজার টাকায় ভাড়া নেন।’

ওই বাসায় অ’ভিযান শেষে সাহেদকে র‍্যাব হেডকোয়ার্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। সকালে সাতক্ষীরা থেকে ঢাকায় আনার পর সাহেদকে সঙ্গে নিয়ে উত্তরার এই বাড়িতে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অ’ভিযান শুরু করে র‍্যাব। দুপুর ১টার দিকে অ’ভিযান শেষে তাকে জি’জ্ঞাসাবাদের জন্য র‍্যাব হেডকোয়ার্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে অভিযানে কী কী পাওয়া গেছে তা নিয়ে কিছু বলেননি র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম।

বুধবার ভোরে সাতক্ষীরার সীমান্ত এলাকা থেকে র‍্যাবের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গ্রে’ফতার করে সাহেদকে। পলা’তক অবস্থায় বেশভূষা পরিবর্তন করেন তিনি। আ’ইনশৃ’ঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের চোখ ফাঁ’কি দিতে তার চুল সাদা থাকলেও কালো করেন এবং গোঁফ কেটে ফেলেন। এরপর বোরকা পরে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন। তার কাছ একটি বিদেশি পিস্তলও উদ্ধার করেছে র‍্যাব।

প্রসঙ্গত, গত ৬ জুলাই র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের নেতৃত্বে রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর কার্যালয়ে অ’ভিযান চালানো হয়। এরপর থেকেই পলাতক ছিলেন হাসপাতালটির মালিক মোহাম্মদ সাহেদ। ৭ জুলাই রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদসহ ১৭ জনের ‘বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করা হয়। ৯ জুলাই সাহেদের মুখপাত্র তরিকুল ইসলাম ওরফে তারেক শিবলীকে এবং ১৪ জুলাই রিজেন্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মাসুদ পারভেজকে গ্রে’ফতার করেছে র‍্যাব।

ad

পাঠকের মতামত