329070

লঞ্চডুবির ঘটনায় আরও এক কিশোরের ম’রদেহ উদ্ধার, মোট ৩৩

নিউজ ডেস্ক।। রাজধানীর শ্যামবাজার এলাকায় বুড়িগঙ্গায় লঞ্চডুবির ঘটনায় আরও একজনের ম’রদেহ উদ্ধার করেছে উদ্ধারকারীরা। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহ’তের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। এ নিয়ে মৃ’তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩৩ জনে।

আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টার পর অজ্ঞাত এক পুরুষের লা’শ ‍উদ্ধার করা হয়। ফায়ার সার্ভিসের সদর দপ্তরের ডিউটি অফিসার মো. আনিসুর রহমান অনলাইনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, দুপুর ১২টা ৪৭ মিনিটে অজ্ঞাত এক পুরষের লা’শ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে মোট ৩৩ জনের ম’রদেহ উদ্ধার হলো। ঘটনাস্থলে এখনো অ’ভিযান চলছে।

এদিকে, বুড়িগঙ্গায় লঞ্চডুবির ঘটনায় ধাক্কা দেওয়া লঞ্চ ‘ময়ূর-২’ এর মালিক মোসাদ্দেক হানিফ ছোয়াদসহ সাতজনের বি’রুদ্ধে গতকাল সোমবার রাতে মা’মলা করা হয়েছে। এ ছাড়া ওই লঞ্চের অজ্ঞাতনামা আরও অনেক কর্মচারীকে আ’সামি করা হয়েছে।

নৌ পুলিশের পক্ষ থেকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় মা’মলাটি দায়ের করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মা’মলার বাদী সদরঘাট নৌ পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শামছুল আলম।

তিনি বলেন, গতকাল রাতে লঞ্চডুবির ঘটনায় মা’মলা দায়ের করা হয়েছে। মাম’লার আ’সামিরা হলেন-ময়ূর-২ লঞ্চের মালিক মোসাদ্দেক হানিফ ছোয়াদ, কর্মচারী মো. আবুল বাশার, মো.জাকির হোসেন, ইঞ্জিনচালক শিপন হাওলাদার, ড্রাইভার শাকিল হোসেন, সুকানি নাসির মৃধা ও হৃদয়।

মা’মলা সূত্রে জানা যায়, বেপরোয়া লঞ্চ চালিয়ে মানুষ হ’ত্যা ও ধাক্কা দিয়ে লঞ্চ দু’র্ঘটনার জন্য দণ্ডবিধির ২৮০, ৩০৪ (ক), ৪৩৭ ও ৩৪ ধারায় মা’মলাটি দায়ের করা হয়। ঘটনাটি পূর্ব পরিকল্পিপত কিনা-সেটাও ত’দন্ত করা প্রয়োজন বলে মাম’লায় উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গতকাল সোমবার সোয়া ৯টার দিকে ঢাকার শ্যামবাজারের কাছে বুড়িগঙ্গা নদীতে এক লঞ্চের ধাক্কায় আরেকটি ছোট লঞ্চ ডুবে অন্তত ৩২ জনের মৃ’ত্যু হয়েছে। এমএল মর্নিং বার্ড নামের ওই লঞ্চটি মুন্সীগঞ্জের কাঠপট্টি থেকে যাত্রী নিয়ে সদরঘাটের দিকে আসছিল।

তবে লঞ্চডুবির প্রায় ১৩ ঘণ্টা পর রাত ১০টার দিকে এক ব্যক্তিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। নদীতে ভেসে ওঠার পর কোস্ট গার্ডের কর্মীরা তাকে তুলে নেন। উদ্ধার করার পর তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নেওয়া হলে তার জ্ঞান ফিরে আসে। তাকে রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ক্যাজুয়ালটি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।

ad

পাঠকের মতামত