কেঁচো খুঁড়তেই সাপের খামার ! কোভিড পরীক্ষার নামে রমরমা ব্যবসা ! (ভিডিও )
নিউজ ডেস্ক।। করোনাভাইরাসের উপসর্গ থাকা রোগীর নমুনা সংগ্রহ করে কোনো ধরনের পরীক্ষা ছাড়াই ভুয়া রিপোর্ট দেওয়ার অ’ভিযোগে বুকিং বিডি ও হেলথ কেয়ার নামের দুই প্রতিষ্ঠানের পাঁচজনকে গ্রে’প্তার করেছে পুলিশ। খবর: সময়নিউজ
গ্রে’প্তারকৃতরা হলেন, বুকিং বিডি ও হেলথ কেয়ারের মালিক হুমায়ন কবীর (৩৪), কর্মচারী তানজিনা ও আরিফুল চৌধুরীসহ আরও দুইজন।। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর বিমানবন্দরের আশকোনা ও গুলশান-২ এর কনফিডেন্স টাওয়ারে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রে’প্তার করে তেজগাঁও থানা পুলিশ।
এই চক্রটি নমুনা পরীঢক্ষার নামে জন প্রতি পাঁচ থেকে দশ হাজার করে টাকা হাতিয়ে নিতো বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, এই চক্রটি করোনার উপসর্গ থাকা রোগীদের বাসায় গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার ফলাফল জানিয়ে দেয়। তবে নমুনা সংগ্রহ করার পর তা আর পরীক্ষা করা হয় না। তাদের নেই কোনো ল্যাব। কম্পিউটারে ফলাফল লিখে, ই-মেইলে তা রোগীর কাছে পাঠিয়ে দেয়। এভাবেই ইতিমধ্যে ৩৭ জনের ভু’য়া করোনা টেস্ট রিপোর্ট দিয়েছে চক্রটি।
চক্রটি নমুনা সংগ্রহের সময় রোগীর বাহ্যিক উপসর্গ দেখে একটা ধারণা থেকে ফলাফল তৈরি করে। করোনার বাহ্যিক উপসর্গ দেখা দিলে, সেক্ষেত্রে তার পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ উল্লেখ করা হয়। কোনো উপসর্গ না দেখা দিলে তার রিপোর্টে নেগেটিভ উল্লেখ করা হয়।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের সহকারী কমিশনার( এসি) মাহমুদ খান বলেন, ‘মঙ্গলবার সকালে তাদেরকে গ্রে’প্তার করা হয়। পরে গুলশানের কনফিডেন্স টাওয়ারের অফিসে অভিযান চালিয়ে কম্পিউটার জব্দ করা হয়। কম্পিউটারে জাল রিপোর্ট পাওয়া গেছে।’
তিনি বলেন, ‘জিজ্ঞাসাবাদে গ্রে’প্তারকৃতরা জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত তারা ৩৭ জনের করোনা নমুনা সংগ্রহ করে মনগড়া রিপোর্ট দিয়েছেন। বাসায় গিয়ে স্যাম্পল সংগহ করতে জন প্রতি পাঁচ হাজার টাকা থেকে দশ হাজার টাকা তারা নিয়েছেন।’
পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার হারুন উর রশিদ বলেন, ‘এই চক্রের লোকজন আগে জোবেদা খাতুন সার্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা নামের প্রতিষ্ঠানে বুথের মাধ্যমে করোনার উপসর্গ রয়েছে এমন লোকের নমুনা সংগ্রহের চাকরি করতেন। তারা ওই প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরি ছেড়ে দেন। পরে তারা অনলাইনে ওই প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা ব্যবহার করে বুকিং বিডি ও হেলথ কেয়ার নামে দুইটি প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দেন।সেখানে উল্লেখ করা হয় যে, তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে করোনা রোগীর নমুনা সংগহ করে নিজস্ব ল্যাবে পরীক্ষা করে রিপোর্ট দেন।’
তিনি বলেন, ‘প্রতারিত কয়েকজন ভূক্তভোগীর অ’ভিযোগ দায়ের করেছেন। সেই অ’ভিযোগের ভিত্তিতেই তাদের গ্রে’প্তার করা হয়েছে।’






