ছাত্রীকে মোটর সাইকেলে তুলে নিয়ে আ’টকে রেখে গণধ’র্ষণ!
নিউজ ডেস্ক।। মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার জামসা ইউনিয়নের বাস্তা গ্রামের প্রাইভেট শিক্ষক রহুল আমীন রুবেল (৩২) বি’রুদ্ধে ছাত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ষ’ণ করার অ’ভিযোগ ওঠেছে।
ধ’র্ষণে যুক্ত করেছে তার দু’সহযোগিকে। নিজ এলাকা থেকে ছাত্রীকে মোটর সাইকেলে তুলে জেলা সদরের একটি বাসায় নিয়ে এ পাশবিক নি’র্যাতন চালানো হয় বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে ৪ জনকে আসামী করে সিংগাইর থানায় মা’মলা দায়ের করেছেন।
মা’মলার ২নং আ’সামী ধ’র্ষনে সহযোগীতা করায় জমিলা খাতুন (৩৮) নামের এক নারীকে বুধবার ভোরে গ্রে’প্তার করেছে পুলিশ। গ্রে’ফতারকৃত জমিলা মানিকগঞ্জ জেলা শহরের উত্তর সেওতা এলাকার জসিম উদ্দিনের স্ত্রী। সে ওই এলাকায় জনৈক নিলুফা বেগমের বাড়িতে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকে।
মামলার এজাহার ও নি’র্যাতিতা ছাত্রীর পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ভিকটিমের পরিবার উপজেলার বায়রা ইউনিয়নের বাইমাইল গ্রামের বাসিন্দা। তারা পরিবার নিয়ে উপজেলার জামসা ইউনিয়নের বাস্তা গ্রামে বাসা ভাড়া থাকেন। ওই গ্রামের চাঁন মিয়ার পুত্র ও এক সন্তানের জনক রুবেল ভিকটিম ও তার ছোট বোনকে প্রাইভেট পড়াতেন। এই সুযোগে সে বড় বোনকে (১৪) প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিভিন্ন জায়গায় বেড়াতে যাওয়ার প্রস্তাব দিতো।
গত ৯ জুন ভিকটিম তার দাদার বাড়ি বাইমাইলে বেড়াতে গেলে রুবেল মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে সেখান থেকে তার মোটরসাইকেলে তুলে জেলা শহরের উত্তর সেওতা এলাকায় কথিত খালা জমিলার বাসায় নিয়ে যায়। ওই বাসায় রুবেল তাকে ধ’র্ষণ করে। পরবর্তীতে ওই বাসায় আ’টকে রেখে তার আরো দুই সহযোগীও ধ’র্ষণ করে।
ভিকটিমের মা জানান, তিন দিন আ’টকে রাখার পর ওই বাসার মোবাইল নাম্বার থেকে তার মেয়ে ফোন দিয়ে বিস্তারিত জানায়। এলাকা থেকে লোকজন নিয়ে ওই বাসা থেকে মেয়েকে উ’দ্ধার করে প্রাইভেট ক্লিনিকে ভর্তি করেন তারা। মঙ্গলবার (১৬ জুন) ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে ৪ জনকে আ’সামী করে সিংগাইর থানায় মা’মলা দায়ের করেন।
এদিকে মা’মলার প্রধান আ’সামী প্রাইভেট শিক্ষক রহুল আমীন রুবেল মোবাইল ফোনে ধ’র্ষণের কথা অস্বীকার করে বলেন, আমি বাইমাইলে খালার বাড়ি বেড়াতে গেলে রাস্তায় মেয়েটাকে দেখতে পাই। তার ইচ্ছে অনুযায়ী মানিকগঞ্জ শহরের একটি বাসায় রেখে আসি।
এ ব্যাপারে মা’মলার তদন্ত কর্মকর্তা সিংগাইর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ আবুল কালাম বলেন, ঘটনার মূলহোতা রহুল আমীন রুবেলের কথিত খালা মামলার ২ নং আসামী জমিলাকে গ্রে’প্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। বাকী আ’সামীদের গ্রে’প্তারের চেষ্টা চলছে। ভিকটিমের মেডিকেল পরীক্ষা বুধবার মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা হাসপাতালে সম্পন্ন হয়েছে বলে হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. এরফান হোসেন জানান।




