পাপুলের বিষয়ে ক’ঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত কুয়েতের
ডেস্ক রিপোর্ট : অর্থপাচার ও মা’নবপাচারের অ’ভিযোগে গত ৬ জুন কুয়েতে আ’টক হন বাংলাদেশের সংসদ সদস্য কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল। এরপর থেকেই বিষয়টি নিয়ে বেশ জোরেশোরে ত’দন্তে নামে কুয়েত সরকার। এরইমধ্যে পাপুলকে জি’জ্ঞাসাবাদের জন্য টানা ৮ দিনের রি’মান্ডে নিয়েছে কুয়েতের পাবলিক প্রসিকিউশন বিভাগ।
লক্ষীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য পাপুলকে আ’টকের পর তদন্ত চলার মধ্যে এটিকে ‘সবচেয়ে বড়’ মান’বপাচারের ঘটনা হিসেবে অভিহিত করেছেন কুয়েতের উপ-প্রধানমন্ত্রী আনাস আল-সালেহ। যিনি উপ-প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বের পাশাপাশি কুয়েতের মন্ত্রিপরিষদবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন।
আ’টক বাংলাদেশি সংসদ সদস্য কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলের বিষয়ে কুয়েত সরকার যে কঠোর অবস্থান নিয়েছে তারই ইঙ্গিত দিয়েছেন দেশটির উপ-প্রধানমন্ত্রী।
পাপুলের পর দেশে সবচেয়ে বড় মানবপাচার চক্রের হোতাকে আ’টক করার কথা জানিয়েছেন কুয়েতের উপ-প্রধানমন্ত্রী। আ’টক ব্যক্তি এশিয়ার একটি দেশের নাগরিক বলে জানান তিনি।
উপ-প্রধানমন্ত্রী কারও নাম উল্লেখ না করে শনিবার এক টুইট বার্তায় মা’নবপাচারের বিষয়ে হু’শিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, মানবপাচারের অ’ভিযোগের ত’দন্তে সরকারি কর্মকর্তা ও প্রভাবশালী ব্যক্তি যে-ই হোক না কেন, তাদের বিচারের আওতায় আনা হবে। কাউকে ন্যূনতম ছাড় দেয়া হবে না।
শনিবার রাতে কুয়েতের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কুনা এসব তথ্য জানিয়েছে। মা’নবপাচারকারীদের বি’রুদ্ধে ত’দন্তে যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে জানিয়ে টুইটেকুয়েতের উপ-প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, তদন্তে কারও বি’রুদ্ধে অ’ভিযোগ প্রমাণিত হলে তিনি সরকারি কর্মকর্তা হোন কিংবা বিশিষ্ট কোনো নাগরিক, তাকে বি’চারের মুখোমুখি হতেই হবে।যুগান্তর, প্রিয়ডটকম






