326823

প্রেমিকের তোলা আপত্তিকর ছবিই কাল হলো কলেজছাত্রীর

নিউজ ডেস্ক।। প্রেমের সম্পর্ক গড়ে গোপন ক্যামেরায় ধারণ করেন প্রেমিকার আ’পত্তিক’র ছবি। পরে তার পরিবার বিয়ে দিতে রাজি না হওয়ায় সেই আ’পত্তিক’র ছবি মেসেঞ্জারে পাঠিয়ে অর্থ দাবি করেন ওই প্রেমিক।

শেষ পর্যন্ত টাকা না পেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই ছবি প্রকাশের হু’মকি দেন তিনি। এ ঘটনায় রাগে-অ’ভিমানে আ’ত্মহ’ত্যা করেছেন মারিয়া আক্তার গাজী (১৯) নামে এক কলেজছাত্রী।

মারিয়া জেলার কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার ঝলম ইউনিয়নের সিংগুর গ্রামের প্রবাসী ইলিয়াছ মিয়ার মেয়ে। তিনি চট্টগ্রাম ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজির প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার প্রেমিক জাবেদ মজুমদার পার্শ্ববর্তী খলারপাড় গ্রামের মোস্তফা মজুমদারের ছেলে।

থানায় দায়েরকৃত মা’মলা’র অ’ভিযো’গ ও ওই ছাত্রীর পরিবার থেকে জানা যায়, কলেজছাত্রী মারিয়া নবম শ্রেণিতে অধ্যয়নকালে পার্শ্ববর্তী খলারপাড় গ্রামের জাবেদ মজুমদার নামে এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। তাদের প্রেমের বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে মারিয়ার পরিবার ওই যুবকের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের ছেলেকে সাবধান করার জন্য বলেন।

এ নিয়ে স্থানীয়ভাবেও এলাকার লোকজন জাবেদকে মারিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য চাপ দেয়। এতে জাবেদ ক্ষি’প্ত হয়ে মারিয়ার ওপর প্র’তিশোধ নিতে পরিকল্পনা করেন। তার সঙ্গে সম্পর্ক না রাখলে আগে গো’পন ক্যামরায় ধারণকৃত মরিয়ার সব আ’প’ত্তিকর ছবি পরিবারের নিকট মেসেঞ্জারে পাঠিয়ে অর্থ দাবি ও ফেসবুকে প্রকাশের হু’মকি দেন।

এ বিষয়ে মারিয়ার মা সাদিয়া আক্তার জানান, ‘আ’পত্তি’কর ছবিগুলো মারিয়াকে পাঠানোর পর তার বাবার ফেসবুক মেসেঞ্জারেও পাঠায় ওই যুবক। এ ছাড়াও মারিয়ার বড় ভাই ও আমাকেও ওই ছবিগুলো পাঠিয়ে বিনিময়ে ৩ লাখ টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে ধারণকৃত ছবি ফেসবুকে ছেড়ে দেওয়ার হু’মকি দেয় সে। তাই এসব ছবি দেখে ল’জ্জায় ও অ’ভিমানে গত ৮ জুন মারিয়া বি’ষপানে আ’ত্মহ’ত্যা করে।’

এ ঘটনায় গত ১১ জুন প্রেমিক জাবেদ, তার বাবা মোস্তফা মজুমদার ও তিন ভাইসহ ছয়জনকে আ’সামি করে মা’মলা দায়ের করেন মারিয়ার মা। মা’মলার অ’ভিযোগের সঙ্গে মেসেঞ্জারে জাবেদের হু’মকি, কিছু ছবি ও কথোপকথনের সব স্ক্রিনশট থানায় জমা দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে রোববার রাতে মা’মলার তদন্ত কর্মকর্তা বরুড়া থানার এসআই আনিছুর রহমান জানান, ‘থানায় মা’মলা করার পর আমরা আসামিদের গ্রে’প্তার করতে অ’ভিযান চালিয়ে আসছি। মা’মলার প্রধান আ’সামিসহ সবাই পা’লাতক রয়েছে। তাই তাদের গ্রে’প্তার করা সম্ভব হচ্ছে না।’ উৎস: দৈনিক আমাদের সময়।

ad

পাঠকের মতামত