326891

প’রকীয়ার অ’পবাদ থেকে জামাই-শাশুড়িকে বাঁ’চালেন ইউএনও

নিউজ ডেস্ক।। নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলায় জামাইয়ের সঙ্গে শাশুড়ির প’রকী’য়ার অ’ভি’যোগ তুলে গ্রাম্য সালিসে একটি পরিবারকে এক ঘরে করে রাখা হয়। বিষয়টির খরব পেয়ে গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তমাল হোসেন ভুক্তভোগী পরিবারটির পাশে দাঁড়ান।

তবে সালিসে থাকা মাতবব্বরা এক ঘরে করার ফতোয়ার বিষয়টি অস্বীকার করায় তাদের গ্রে’প্তা’র করা সম্ভব হয়নি বলে জানান ইউএনও। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলায় নাজিরপুর ইউনিয়নের দেবোত্তর গরিলা গ্রামে।

এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগী পরিবারটি জানায়, সম্প্রতি স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছ থেকে ১ লাখ টাকা ধার করে ভুক্তভোগী ওই নারী তার জামাইকে দেন। গত ৬ জুন সন্ধ্যার পর পাওনাদারের ধারের টাকা পরিশোধ করে জামাই ও শাশুড়ি একসঙ্গে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে কয়েকজন যুবক তাদের পর’কীয়া’র অ’পবা’দ দিয়ে আ’টকে রাখেন। বিষয়টি জানাজানি হলে গ্রাম প্রধানরা তাদের তখন ছেড়ে দিয়ে ১৩ জুন গ্রাম্য সালিস ডাকেন।

ভুক্তভোগী পরিবারের অ’ভি’যোগ, পরে গত শনিবারের সালিসে গ্রাম প্রধনরাসহ প্রায় ৭০ জন উপস্থিত ছিলেন। সালিসে রানীনগর মোল্লাপাড়া মসজিদের ইমাম মাওলানা নুরুজ্জামান তাদের এক ঘড়ে করার ফতোয়া দেন। পাশাপাশি ভুক্তভোগী ওই নারীর মেয়ের সঙ্গে জামাইয়ের সংসার না করারও নির্দেশ দেন তিনি। এরপর গত দুদিন ধরে পরিবারটি এক ঘরে হয়ে ছিল। পাশাপাশি ভুক্তভোগী ওই নারীর মেয়ে তার দুই সন্তানসহ বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন।

এই ঘটনার খবর পেয়ে আজ সোমবার দুপুর ২টার দিকে গুরুদাসপুরের ইউএনও তমাল হোসেন ওই এলাকায় যান। ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি ভুক্তভোগী নারীর মেয়েকে তার স্বামীর বাড়িতে পাঠান। পাশাপাশি গ্রামবাসীকে দেশের প্রচলিত আ’ই’ন বিরোধী কাজ না করার নির্দেশ দেন।

এ বিষয়ে গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তমাল হোসেন বলেন, ‘ভুক্তভোগী ওই নারীর মেয়ের বিয়ে হয় ২০ বছর আগে। এ ছাড়া ভুক্তভোগী নারীর বয়স ৫০ বছরের ওপরে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি সাজানো মনে হয়েছে।’

ইউএনও আরও বলেন, ‘মাওলানা নুরুজ্জামান তার দেওয়া ফতোয়ার বিষয়টি অস্বীকার করায় কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। তবে ভুক্তভোগী ওই নারী লিখিত অ’ভিযো’গ করলে থানায় মা’মলা করা হবে। দেশের প্রচলিত আ’ইনে তাদের বি’চার হবে।’

ad

পাঠকের মতামত