স্বামীর বাড়িতে আসার দু’দিন পরই লা’শ হলেন পান্না
নিউজ ডেস্ক।। নেত্রকোনার মদন উপজেলার গোবিন্দশ্রী ইউনিয়নে বসতঘর থেকে শহিনুর আক্তার পান্না (২৬) নামের এক গৃহবধূর লা’শ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় বিজিবি সদস্য স্বামীকে আটক করেছে মদন থানার পুলিশ।
রোববার সকালে গোবিন্দশ্রী গ্রামে (পশ্চিম পাড়া) এ ঘটনা ঘটে। আ’টক বিজিবি সদস্য ওমর সানী লিংকন গোবিন্দশ্রী উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আলতাব মাস্টারের ছেলে।
পারিবারিক সূত্র জানায়, শনিবার রাতে নিজ ঘরে আড়ায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন পান্না। তবে গৃহবধূ পান্নার ভাইয়ের দাবি, পারিবারিক কলহে পরিকল্পিতভাবে হ’ত্যা করা হয়েছে তার বোনকে।
পরিবার ও পুলিশ সূত্রে যানা যায়, ২০১৪ সালে কেন্দুয়া উপজেলার বলাইশিমুল ইউনিয়নের সরাপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল মতিনের একমাত্র মেয়ে শাহিনুর আক্তার পান্নার সঙ্গে মদন উপজেলার গোবিন্দশ্রী গ্রামের শিক্ষক আলতাবের ছেলে বিজিবি সদস্য ওমর সানী লিংকনের বিয়ে হয়। বিয়েতে ৫ লাখ টাকা যৌতুকসহ ৪ ভরি স্বর্ণালঙ্কার দেয়া হয়।
লিংকন বিয়ের কিছুদিন পর থেকে পুনরায় যৌতুকের দাবিতে নানা নি’র্যাতন করতেন বলে পান্না বাবার বাড়িতেই থাকতেন। গত ৮ জুন ওমর সানী লিংকন ছুটিতে এসে পান্নার বাড়িতে বেড়াতে যান। পরে পান্না তার স্বামী লিংকনের সঙ্গে (১২জুন) শুক্রবার গোবিন্দশ্রীতে আসেন। শনিবার সকালে গোবিন্দশ্রী থেকে পুলিশ শাহিনুর আক্তার পান্নার মৃতদেহ উদ্ধার করে স্বামী ওমর সানী লিংকনকে আ’টক করে মদন থানায় নিয়ে যায়।
শাহিনুর আক্তার পান্নার ভাই মাহফুজ আলম মমিন জানান, শুক্রবার তার বোন স্বামীর সঙ্গে গোবিন্দশ্রীতে যায়। শনিবার সকালে খবর পান পান্না গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আ’ত্মহ’ত্যা করেছেন।
তার দাবি, তার বোন পান্নাকে ওমর সানী ও তার পরিবার পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। তিনি এ ব্যাপারে হ’ত্যা মম’লা দায়ের করবেন বলে জানান।
এ ব্যাপারে ম’দন থানার ওসি মো. রমিজুল হক জানান, আত্মহত্যার খবর শুনে (খালিয়াজুরি) সার্কেলসহ আমি ঘটনাস্থল গোবিন্দশ্রীতে গেলে শোয়ানো অবস্থায় পান্নার মৃ’তদেহ উদ্ধার করে নিয়ে আসি। লা’শ ম’য়নাত’দন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল ম’র্গে পাঠানো হয়েছে। তার স্বামী ওমর সানী লিংকনকে জিজ্ঞাসাবদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। অ’ভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। জাগোনিউজ




