বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করায় হতাশায় হার্ভার্ড থেকে ছিটকে পড়ি, পরে সফল কিভাবে হই সেটাই বিস্ময় : বিল গেটস
ডেস্ক রিপোর্ট।। বিল গেটস লাইফ স্টোরিজের কাছে এক ইন্টারভিউতে গত বৃহস্পতিবার এসব কথা বললেন। ইউটিউবে ‘লুজ এন্ড ডান’ নামের সিরিজ ইন্টারভিউটিতে বিশ্বের খ্যাতনামাদের জীবনী প্রকাশ করছে বৃটেনের ফিনলে নেটফিড। এখানেও এ ইন্টারভিউ পাওয়া যাচ্ছে।
এখন তিনি বিশ্বের শীর্ষ দনীদের একজন।বিশ্বের সবচেয়ে বড় সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা।তার ও মেলিন্ডা গেটসের প্রতিষ্ঠান ‘গেটস ফাউন্ডেশন’ কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত রোগীদের সাহায্যে বিশ্বের অনুন্নত দেশগুলিতে দান করেছে ১৭০ মিলিয়ন ডলার।
বিল গেটস বলেন, ‘তার তার বাবা উইলিয়াম গেটস ছিলেন একজন সিনিয়র আইনজীবী। আর তার মা মেরি একটি বড় ব্যাংকের নির্বাহী পদে দায়িত্ব পালন করতেন। সুতরাং, তাদের পরিবারে অর্থ-সম্পদের অভাব ছিল না। কিন্তু ১৯২৯-৩৯ সালের মহামন্দার সাক্ষী ছিলেন তার বাবা-মা, যে কারণে সন্তানদেরকে তারা হেসে-খেলে বড় হতে দেননি, বরং সেই ছোটবেলা থেকেই শিখিয়েছেন কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজের প্রাপ্যটা অর্জন করে নিতে।
১৩ বছর বয়সে গেটস লেকসাইড স্কুলে ভর্তি হন। এখান থেকেই শুরু হয় তার কম্পিউটারের হাতেখড়ই। নিজে নিজেই বেসিক প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে প্রোগ্রামিং করা শিখে যান তিনি, এবং সহজ-সরল একটি “টিক-ট্যাক-টো” গেমও বানিয়ে ফেলেন।
১৯৭৩ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন গেটস। সেখানে গণিত ও কম্পিউটার বিজ্ঞান শিখছিলেন তিনি। সেসময় তার বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করেন। সেই হতাশা থেকে নিজেকে ব্যস্ত রাখতেই হার্ভার্ডের পড়াশোনা ছেড়ে দিয়ে কয়েকবছর বেকার থেকে ১৯৭৬ সালে মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠা করেন গেটস।
মাইক্রোসফটের জন্য প্রথম বড় সুযোগটি আসে ১৯৮০ সালে, যখন আইবিএমের কাছ থেকে সুযোগ আসে তাদের নতুন কম্পিউটারের জন্য বেসিক অপারেটিং সিস্টেম ডেভেলপ করার।
১৯৯০ সালে মাইক্রোস্ফট উইন্ডোজের প্রথম সংস্করণ প্রকাশ করে।






