325557

রাজধানীর কাঁচাবাজার করোনার ঝুঁ’কির কেন্দ্রবিন্দু!

নিউজ ডেস্ক।। রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলো করোনা ভাইরাস ছড়ানোর কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। করোনার সং’ক্রমণের ঝুঁ’কিপূর্ণ কাঁচাবাজারে মনে করা হচ্ছে। লক্ষ্য করা যায়, কাঁচাবাজারে অনেক লোকের সমাগম। সামাজিক দূরত্ব না মেনে গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে কেনাকাটা করছেন ক্রেতারা।

মুখে মাস্ক নেই বিক্রেতাদের। ক্রেতা-বিক্রেতাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় দায়সাড়াভাবে প্রবেশ পথে জীবাণুনাশক টানেল স্থাপন করে দায়িত্ব শেষ করেছে মার্কেট কর্তৃপক্ষ। কিন্তু সরেজমিনে এসব টানেলে মেলেনি কোনো জী’বাণুনাশক। করোনা পরিস্থিতির মধ্যে বেশকিছু স্বাস্থ্যবিধি দিয়ে খোলা রাখা হয় কাঁচাবাজার। কিন্তু কতটা মানা হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধি?

রাজধানীর অন্যতম বড় মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেটে গিয়ে দেখা গেলো, প্রবেশ মুখে স্থাপন করা হয়েছে জীবাণুনাশক টানেল। অথচ ব্যবহার করছেন না কেউই। কাছে গিয়ে দেখা গেলো টানেলে নেই জী’বাণুনাশক। আবার হাতধোয়ার জন্য পানির ট্যাংক থাকলেও তা খালি! বাজারের ভেতরেও স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না ক্রেতা-বিক্রেতা কেউই। দিচ্ছেন অদ্ভুত যুক্তি।

মহল্লার কাঁচাবাজারে দেখা যায় ভ’য়াবহ অবস্থা, নেই কোন জীবানুনাশক টানেল। গাদাগাদি করে বাজার করছে, নেই কোন স্বাস্থ্যবিধির অনুসরণ। যার যার মত করে বাজার করে চলে যাচ্ছে। চায়ের দোকানের অবাদে চলছে আড্ডা। একই টুলে গাদাগাদি করে বসে চা পান করছে ক্রেতারা।

এক বিক্রেতা বলেন, মাস্ক পরে থাকতে পারি না। শ্বাস নিতে সমস্যা হয়। একই চিত্র রাজধানীর নিউমার্কেটে। গাদাগাদি করে দাঁড়িয়ে পোশাকসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনছেন ক্রেতারা। অনেক বিক্রেতার মুখে নেই মাস্ক, নেই হ্যান্ডগ্লাভসও। যদিও নিউমার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির দাবি, স্বাস্থ্যবিধি মানছেন তারা।

নিউমার্কেট কর্তৃপক্ষ বলছে, আমরা প্রবেশ পথে জীবণুনাশক স্প্রের ব্যবস্থা করেছি। দোকানীদেরও বলে দিয়েছি তারা যেন স্যানিটাইজার ব্যবহার করে। শুধু তাই নয়, মার্কেটের আশপাশের গলি ও চায়ের দোকানে মাস্ক ছাড়া অহেতুক দাঁড়িয়ে আছেন অনেকেই। যা বাড়াচ্ছে স্বাস্থ্যঝুঁ’কি। উৎস: সময়টিভি।

ad

পাঠকের মতামত