আরও ১৯ বাংলাদেশি লিবিয়ায় পাচারকারীদের হাতে ব’ন্দি
নিউজ ডেস্ক।। লিবিয়ায় মানব পাচারকারীদের হাতে আরও ১৯ বাংলাদেশি আ’ট’ক থাকার খবর জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন।
বুধবার (৩ জুন) সন্ধ্যায় জাগো নিউজকে তিনি বলেন, সেখানে নি’র্মম’ভাবে মানব পাচারকারীদের হাতে ২৬ বাংলাদেশি নি’হত’ হওয়ার ঘটনার দেশটির অন্যতম হোতা নি’হ’ত হয়েছে বলে লিবিয়ার গণমাধ্যমে জেনেছি। তবে রাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে জানতে পেরেছি যে, লিবিয়ায় আরও ১৯ জন বাংলাদেশি অন্য একটি মাজরাতে আ’ট’ক রয়েছেন। মুক্তিপণের জন্য তাদের ওপরও নি’র্ম’ম অ’ত্যাচা’র চলছে। তবে তাদের পরিচয় জানা যায়নি।
মন্ত্রী বলেন, যু’দ্ধাবস্থা চলা এ দেশটি এখন মানব পাচারের প্রা’ণকেন্দ্র হয়ে উঠেছে। হয়তো আরও অনেক বাংলাদেশি সেখানে আ’ট’ক রয়েছেন। তবে আমরা এ ১৯ জনের কথা জানতে পেরেছি।
ড. মোমেন বলেন, সেখানকার একজন বাংলাদেশি আমাদের দূতাবাসকে জানিয়েছে, ত্রিপলী থেকে ১৪৫ কিলোমিটার দূরে একটি মাজরাতে এ ১৯ বাংলাদেশিকে মা’নবপাচারকা’রীরা মুক্তিপণের জন্য আ’ট’কে রেখে নি’র্যাত’ন চালাচ্ছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নিশ্চয় পাচারকারীরা আ’ট’ক বাংলাদেশিদের পরিবারের সঙ্গে টাকার জন্য দেন দরবার করছে। এসব পরিবারের উচিত আ’ইনশৃঙ্খ’লা বাহিনীকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করা। তা না হলে কারা তাদের কাছে টাকা চাইছে কারা এসব মানবপা’চারে জড়িত সেসব কিছুই আমরা জানতে পারব না।
এসব বাংলাদেশির পরিবারকে তিনি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আপনাদের সঙ্গে পাচারকারীদের যেসব দালাল যোগাযোগ করছে তাদের বিষয়ে পুলিশকে তথ্য দিন।
মন্ত্রী বলেন, এর আগে যে ৩৮ জন আ’ট’ক ছিল তাদের পরিবারের কাছেও সেখানকার মা’নবপাচারকারী’দের দালালরা ফোন করে মুক্তিপণ আদায় করত। তারা যদি সেসব বিষয় জানাতো তাহলে অকালে এত প্রা’ণ যেত না।
এ বিষয়ে লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের এক কর্মকর্তা বলেন, এখন মানবপাচারের সিজন চলছে। করোনা-পূর্ব সময়ে যারা দেশে এসেছিলেন তারা এখন সাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা করবেন। এই সংখ্যা কতো তা জানা কঠিন। আবার আ’ট’ক বাংলাদেশিদের উ’দ্ধার করার পরিস্থিতিও নেই।
তিনি বলেন, এখানে বাংলাদেশি দালাল রয়েছে। এসব দালালদের তালিকা সরকারের কাছে রয়েছে। আ’ইনশৃ্ঙ্খ’লা বাহিনীর উচিত হবে এই তালিকা ধরে তাদের পরিবারের সদস্যদের আ’ট’ক করা। অন্যথায় লিবিয়া পাচার হয়ে আসা আরও বহু বাংলাদেশির লা’শ দেখতে হতে পারে। উৎস: জাগোনিউজ২৪






