324789

দুইশ গার্মেন্টেস কর্মী করোনায় আ’ক্রা’ন্ত

নিউজ ডেস্ক।। সামাজিক দূরত্ব না মানায় দেশের তৈরি পোশাক খাত তথা গার্মেন্টসের ৯০টি কারখানায় প্রায় দুইশ শ্রমিক (১৯১ জন) করোনায় আ’ক্রা’ন্ত হয়েছেন।

এর মধ্যে বিজিএমইএর ১০৫ জন, বিকেএমইএ’র ৫৭ জন, ইপিজেডগুলোতে ১৪ জন ও অন্যান্য পোশাক কারখানায় ১৩ জন শ্রমিক করোনায় আ’ক্রা’ন্ত হয়েছেন। শিল্প পুলিশ ও পোশাক খাত সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এদিকে পোশাক মালিকদের বড় সংগঠন বিজিএমইএ’র উদ্যোগে পোশাক কারখানাগুলোয় করোনা আ’ক্রা’ন্তের তথ্য সংগ্রহ ও শ্রমিকদের চিকিৎসা দিতে কাজ করছে কয়েকটি টিম। তাদের সংগ্রহ করা তথ্য অনুযায়ী গত ২৮ এপ্রিল দেশের পোশাক কারখানার শ্রমিকদের মধ্যে প্রথম একজনের করোনার উপসর্গ পাওয়া যায়। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিজিএমইএ সদস্যভ‚ক্ত পোশাক কারখানায় এখন পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আ’ক্রা’ন্ত হয়েছে ১০৩ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১৯ জন। বাকি ৮৪ জনের এখনো কোভিড-১৯ পজেটিভ রয়েছেন।

শিল্প পুলিশের তথ্যমতে, দেশের ৯০টি কারখানার ১৯১ জন পোশাক শ্রমিক করোনায় আ’ক্রা’ন্ত হয়েছেন। এর মধ্যে বিজিএমইএ সদস্যভ‚ক্ত কারখানার সংখ্যা ৪৬টি। এসব কারখানার ১০৫ জন শ্রমিক করোনায় আ’ক্রা’ন্ত। অন্যদিকে বিকেএমইএ’র সদস্য ২১টি কারখানায় ৫৭ জন করোনায় আ’ক্রা’ন্ত হয়েছে। এর বাইরে ইপিজেডগুলোতে অবস্থিত ১০টি কারখানার ১৪ জন ও অন্যান্য ১২টি পোশাক কারখানার ১৩ জন শ্রমিক করোনায় আ’ক্রা’ন্ত হয়েছেন।

এছাড়া বিটিএমএ সদস্য একটি টেক্সটাইল মিলসে দু’জন শ্রমিক আ’ক্রা’ন্ত হয়েছেন। শিল্প পুলিশের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সারাদেশের পোশাক কারখানার মধ্যে ঢাকার আশুলিয়ায় সবচেয়ে বেশি শ্রমিক আ’ক্রা’ন্ত হয়েছেন। আশুলিয়ার ২৬টি কারখানার ৬১ জন শ্রমিক আ’ক্রা’ন্ত হয়েছেন। এছাড়া নারায়ণগঞ্জে ২৩টি কারখানার ৬০ জন শ্রমিক আ’ক্রা’ন্ত হয়েছেন। চট্টগ্রামে ১৪টি পোশাক কারখানার ১৭ জন শ্রমিক, ময়মনসিংহে তিনটি কারখানার চার জন শ্রমিক এবং খুলনায় একটি কারখানার একজন শ্রমিক করোনা ভাইরাসে আ’ক্রা’ন্ত হয়েছেন।

তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গার্মেন্টস কারখানাগুলোর শ্রমিকদের করোনা পরীক্ষা এমনিতেই করা হয় না। কেউ আ’ক্রা’ন্ত হলে বা সম্ভাব্য আ’ক্রা’ন্ত এমন শ্রমিকদের করোনা পরীক্ষা করা হয়।

এর আগে করোনায় আ’ক্রা’ন্ত হয়ে নি’হত গার্মেন্টস কর্মী মাহমুদা বেগম মৌসুমির (২১) লা’শ দাফনে বাধা দেয়া হয় লালমনির হাটে। মৌসুমি ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করার সময় অসুস্থবোধ করলে গত ২১ মে বিকালে পরিচিত এক ট্রাকচালকের ট্রাকে করে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। রাতেই পথে ঢাকার আব্দুল্লাহপুরে তার মৃ’ত্যু হয়। অ্যাম্বুলেন্সে এলাকায় নেয়ার চেষ্টা হলে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ওই লা’শ এলাকায় এনে দাফনে বাধা দেয়। পরে লা’শ নদীতে ভাসিয়ে দেয় অ্যাম্বুলেন্স চালক। লা’শ ভাসিয়ে দেয়ার খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন লা’শ উ’দ্ধার করে কবরস্থানে দাফন করেছে।

ad

পাঠকের মতামত