ইতালিতে চাকুরি হারাতে পারে এক কোটি মানুষ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রাণঘা’তী করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে ধ’স নামতে যাচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় দ্বিতীয় বিশ্বযু’দ্ধের পর সবচেয়ে খারাপ সময় পার করেত যাচ্ছে ইতালি। বিশেষ করে পর্যটন খাত, অন্যান্য সেবা ও দোকান মুখ থুবড়ে পড়ছে।
ইতালির ক্ষুদ্র ব্যবসায় গোষ্ঠীরা বলছে, বর্তমান অর্থনৈতিক প’রিস্থিতি উ’দ্বেগজনক। ফেডারেশনের প্রধান বলছেন,আমরা কর্মচারীদের বেতন এবং অন্যান্য ব্যয় বহন করতে পারছি না এজন্য সরকারের গৃহীত ব্যবস্থাগুলো অবিলম্বে কার্যকর করা উচিত। আর এই কার্যক্রম ফলপ্রসু করতে আমাদের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানো দরকার। এদিকে ব্যাংকগুলো দ্রুত কাজ না করায় গেল সপ্তাহে অ’ভিযোগ করেছে সরকার তবে ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছে এরই মধ্যে ৪ লাখ লোনের অনুরোধ রাষ্ট্র সমর্থিত কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়েছে।
ইতালি সর্বপ্রথম ইউরোপীয় দেশ যা করোনাভাইরাস দ্বারা মা’রাত্ম’কভাবে আক্রা’ন্ত হয়েছে আর এর জের ধরেই দু মাস লকডাউন ছিলো দেশটি। আর এ থেকেই দেশটির জিডিপি ১৩ থেকে ৯ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ইতালির অর্থনীতির শতকরা ৫.৩ ভাগ সং’কুচিত হয়েছে যা প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছিল ৪.৭ শতাংশ। ১৯৯৫ সালের পর থেকে অর্থনীতি এতটা ধ’সে পড়েনি ইতালিতে। এই বছরের ক্ষতি ১৭০০ বিলিয়ন ইউরো হতে পারে বলে বলা হচ্ছে মেডিওবাঙ্কার এক সমীক্ষায়।
দেশটির প্রধান ব্যবসায়িক সংঘ কোফিনডাস্ট্রিয়ার প্রধান কার্লো বোনমি বলেছেন, দেশব্যাপী ১ কোটি পর্যন্ত মানুষের চাকুরি হারাতে পারে। আমরা মে মাসের শেষে পরিসংখ্যানের জন্য অপেক্ষা করছি তবে ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে ৭ থেকে ১০ লাক মানুষের চাকরি চাকরি ঝুঁ’কিতে রয়েছে।
মঙ্গলবার প্রকাশিত জরিপ অনুসারে, ৫৩ শতাংশ ইতালিয়ান পরিবার তাদের ভবিষ্যতকে নেতিবাচকভাবে এবং ৬৮ শতাংশ দেশের ভবিষ্যতকে নেতিবাচকভাবে দেখেছেন। লকডাউনের কারণে, ৪২ শতাংশ পরিবারকে তাদের কাজ ও আয় হ্রাস করতে হয়েছে, ২৬ শতাংশ কাজ বন্ধ করেছে এবং ২৪ শতাংশ মানুষ কাজ পাচ্ছে না। প্রতি ১০ জনের মধ্যে ছয়টি পরিবার চাকরি হারানোর আশ’ঙ্কা করছে, যার ফলস্বরূপ ২৮ শতাংশ মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোনও ছুটিতে কোথাও না যাওয়ার।






