স্ত্রীকে হ’ত্যার হু’মকি দিয়ে নিউইয়র্ক পুলিশে কর্মরত বাংলাদেশি গ্রে’ফতার
প্রবাস ডেস্ক।। কণ্ঠশিল্পী স্ত্রীর মাথায় পি’স্তল ঠেকিয়ে গু’লি করে হ’ত্যার’ হু’মকি’র অ’ভিযো’গে নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টের অফিসার সজল রায়কে (৩০) গ্রে’ফতা’র করেছে পুলিশ। ১৫ মে শুক্রবার মধ্যরাতে নিউইয়র্ক সিটির কুইন্স ভিলেজের বাসা থেকে তাকে আ’ট’ক করা হয়েছিল।
একইদিন তাকে কুইন্স ক্রিমিনাল কোর্টে সোপর্দ করা হলে আ’দাল’ত তাকে জামিন প্রদান করেছেন বলে জানা গেছে। তবে তাকে মা’মলা শেষ না হওয়া পর্যন্ত বেতনহীন সাসপেনশনে রাখা হয়েছে বলে এনওয়াইপিডি সূত্রে জানা গেছে। নিউইয়র্কের ডেইলি নিউজ পত্রিকায় এ সংবাদ ছাপা হয়েছে।
আ’দাল’ত সূত্র জানিয়েছে, ১ মার্চ পুলিশ অফিসার সজলের সঙ্গে তার স্ত্রী রোকসানা মির্জার পারিবারিক কলহ হলে সজল তার স্ত্রীর মাথায় পি’স্তল ঠে’কিয়ে মে’রে ফেলার হু’মকি দেয়। তা নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সজলের বি’রুদ্ধে তার স্ত্রী কোন অ’ভিযোগ না আনলেও বৃহস্পতিবার ১৪ মে বিষয়টি নিয়ে পুলিশের কাছে অ’ভিযো’গ করেন। এই অ’ভিযো’গের ভিত্তিতে শুক্রবার ভোররাতে কুইন্সের নিজ বাসা থেকে সজলকে আ’টক করা হয়।
জানা গেছে সজল রায়ও একজন কণ্ঠশিল্পী। সজল রায় জানিয়েছেন, তার বি’রুদ্ধে আনা স্ত্রীর অ’ভিযোগ সত্য নয়।
সজল রায় ২০১৬ সালে এনওয়াপিডিতে যোগদানের পর অতিসম্প্রতি তাকে ব্রুকলীনে ট্র্যাঞ্জিট কমান্ডের দায়িত্ব দেয়া হয়। এর আগে উত্তর আমেরিকায় ২০১২ সালে ‘সেরা কন্ঠশিল্পী’ সন্ধানের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে মানিকগঞ্জের সন্তান সজল রায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে ‘হীলসাইড হুন্ডা’ কোম্পানী থেকে একটি মোটরসাইকেল পেয়েছিলেন। এর কয়েক বছর পর ঢাকা থেকে নিউইয়র্কে আসা কণ্ঠশিল্পী রোকশানা মির্জার সাথে পরিচয়ের সূত্রে দু’বছর আগে বিবাহ-বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। রোকশানা মির্জা তারই স্পন্সরে গ্রীণকার্ডের আবেদন করেছেন। তবে, এনওয়াপিডির চৌকষ এই অফিসারের গ্রে’ফতা’রের সংবাদে করোনায় জবুথবু কমিউনিটিতে অনেকেই হতভম্ব হয়েছেন। মা’মলা’র পাশাপাশি সজলের বি’রুদ্ধে বিভাগীয় ত’দন্তও চলছে একইসাথে।






