মে মাসের শেষ সপ্তাহে আম নামানোর পরামর্শ
নিউজ ডেস্ক।। গুটি থেকে আম নামানো পর্যন্ত অন্তত ৩ বার বাগান কেনাবেচা হলেও এবার নেই কোনো বেপারির হাঁকডাক। আমের ন্যায্য দাম পাওয়া নিয়ে শংকিত বরেন্দ্র এলাকার বাগান মালিকরা। এবার আমের মুকুল দেরিতে আসায় মে মাসের শেষ সপ্তাহে সুস্বাদু আম নামানোর পরামর্শ দেয়া হয়েছে বলে জানায় কৃষি বিভাগ।
আমের মুকুল থেকে গুটি, এরপর আম নামানো পর্যন্ত অন্তত ৩ বার বাগান কেনাবেচা হয় বরেন্দ্র এলাকায়। কিন্ত এবার করোনা পরিস্থিতিতে নেই বেপারিদের আনাগোনা । আর তাই বাগানে থোকা থোকা ঝুলে থাকা এসব আমের ন্যায্য দাম পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে আছেন বাগান মালিকরা।
ভালো দাম পাওয়ায় গত ক’বছর ধরেই বরেন্দ্র এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে আম বাগান গড়ার প্রবণতা বেড়েছে। এসব বাগানে সুস্বাদু জাতের গোপালভোগ, ল্যাংড়া, ক্ষিরসাপাত,মোহনভোগ, আম্রপালি, সুরমা ফজলিসহ ২৮ প্রজাতির আম রয়েছে। গেলবারের মতো এবারও ভালো বাজার পাওয়ার আশাবাদ ব্যবসায়ী সমিতির এ নেতার । আর আমের ন্যায্য মল্য নিশ্চিতে বরেন্দ্র এলাকায় আম সংরক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলার দাবি প্রতিনিধির ।
চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রির সভাপতি মো. ইকবাল শাহরিয়ার রাসেল বলেন, আমরা আশা করছি করোনা কমে গেলে হয়তো ঈদের পর আবার আমের বাজার চাঙ্গা হয়ে উঠবে। উপজেলা চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান আলী বলেন, সংরক্ষণ করে ব্যবসায়ীদের উপকার করা যেতে পারে। গেল বছর জেলায় ২৪ মে আম নামানো হলেও এবার ৬ দিন পিছিয়ে আম নামানো হতে পারে বলে জানালেন কৃষি কর্মকর্তা ।
কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, এবার যেন সবাই আম পায়, তাই দেরিতে নামানোর পরামর্শ দেয়া হয়েছে। জেলায় এবার সাড়ে ২৪ হাজার হেক্টর জমির বাগান থেকে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ মেট্রিক টন আম উৎপাদনের আশা কৃষি বিভাগের । ২টার সময় সংবাদ।






