321514

স্ত্রীর সহযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে ধ’র্ষণ করে চিত্র ধা’রণ করলো খালু

নিউজ ডেস্ক।। সিলেটে চেতনানাশক খাইয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে ধ’র্ষণের মা’মলায় ওই ছাত্রীর খালা ও খালুকে গ্রে’প্তার করা হয়েছে।

ছাত্রীর খালা মহিলা আওয়ামী লীগের নেত্রী। খালার সহযোগিতায় খালু ছাত্রীটিকে ধ’র্ষণ করেছে এবং খালা নিজে মোবাইলফোনে তা ধারণ করেছেন।

ঘটনাটি ঘটেছে সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায়। জৈন্তাপুর থানার ওসি শ্যামল বণিক এসব তথ্য নিশ্চিত করে জানান, গ্রে’প্তার দুই আ’সামি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে। ধ’র্ষণ দৃশ্য ধারণ করা মোবাইলফোনটিও উ’দ্ধার করা হয়েছে।

এ ঘটনায় ছাত্রী বাদী হয়ে নারী ও শিশু নি’র্যাতন আইন এবং প’র্ণোগ্রা’ফি নি’য়ন্ত্রণ আ’ইনে মা’মলা দায়ের করেছেন।

মা’মলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ওই ছাত্রী সিলেট নগরীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছেন। দেশে করোনাভাইরাস সং’ক্রমণের কারণে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় তিনি সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার নিজ বাড়িতে চলে যান। ওই ছাত্রীর খালা সুমি বেগম (৩৫) জৈন্তাপুর উপজেলার নিজপাট ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি।

একই গ্রামে তাদের বাড়ি। ছাত্রী মাঝে-মধ্যে খালার বাড়ি বেড়াতে যেতেন। গত ২ মে খালা সুমি বেগম ওই ছাত্রীকে তার বাড়িতে ইফতার করার দাওয়াত দেন। এ অবস্থায় ওই ছাত্রী খালার বাড়িতে গিয়ে ইফতার করেন। ইফতারের পর রাত ৮টার দিকে খালা ছাত্রীকে চা খেতে দেন। চা খাওয়ার পর ছাত্রীটি অ’জ্ঞান হয়ে পড়লে খালু কয়েছ আহমদ (৪০) তাকে ধ’র্ষণ করেন।

সুমি বেগম এই দৃশ্য মোবাইলফোনে ধারণ করেন। জ্ঞান ফেরার পর ছাত্রী চিৎকার শুরু করলে খালা-খালু তার মুখ চেপে ধরেন। পরে ছাত্রীটি কৌশলে তার বাড়িতে খবর পাঠায়। ছাত্রীর মা-বাবা গিয়ে ঘটনা শুনে মোবাইলফোনটি তাদের কাছে নেন এবং ছাত্রীকে উ’দ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি বিভাগে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় গত ৪ মে ছাত্রী বাদী হয়ে খালা সুমি বেগম ও খালু কয়েছ আহমদকে আ’সামি করে জৈন্তাপুর থানায় মা’মলা করেন।

ওসি শ্যামল বণিক জানান, একাধিক অভিযান চালিয়েও আসামিদের গ্রে’প্তার করা সম্ভব হচ্ছিল না। পরে র‌্যাব-৯ এর সহযোগিতায় শুক্রবার গভীর রাতে সিলেট নগরী থেকে কয়েছ আহমদ ও সুমি বেগমকে গ্রে’প্তার করা হয়। শনিবার আ’দালতের মাধ্যমে তাদেরকে কা’রাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। উৎস: দেশ রুপান্তর।

ad

পাঠকের মতামত