রেমডিসিভির-এর কার্যকারিতা নিয়েও সংশয় রয়েছে : ডা. সায়েদুর রহমান
নিউজ ডেস্ক।। স্বাস্থ্য ও শিক্ষা এই দুই খাতে দীর্ঘদিন অবহেলার শিকার হয়েছে। শুধু বাংলাদেশে নয় এ চিত্র গোটা বিশ্বের। এর ফলে কোভিড-১৯ মোকাবেলায় তাই বড় বড় অর্থনৈতিক ক্ষমতাধর দেশ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে বলে সময় টিভিতে মন্তব্য করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাকোলজি বিভাগের চেয়ারপারসন।
আমরা এখন অপেক্ষা করছি, নতুন ভ্যাকসিন বা পুরোনো ঔষুধকে কাজে লাগিয়ে এমন অপ্রস্তুত অবস্থার লজ্জা ঢাকার জন্য।
দীর্ঘ লক ডাউনের পর অর্থনীতির চাকা পুনরায় সচল করতে যে ধরনের স্বাস্থ্যগত ব্যবস্থা নেয়া দরকার বেশির ভাগ রাষ্ট্রেরই তা নেই। যা গত ৫০ বছর ধরে স্বাস্থ্য খাতে অবহেলারই ফল।
প্রতিদিন গড়ে ২০ থেকে ৩০ হাজার টেস্ট করা হলে বাংলাদেশের বাস্তব পরিস্থিতি আমাদের সামনে ফুটে উঠবে। প্রথম থেকে শুরু করে অনেক বেড়ে এখন আমাদের টেস্টেের পরিমান গড়ে ৬ হাজারেরর মতো। সুতরাং আমাদের অবস্থা কোনদিকে যাবে তা বুঝতে আরও সময় লাগবে।
কোভিড-১৯ প্রতিরোধে রেমডিসিভির ব্যবহারের কথা বলা হচ্ছ। যুক্তরাষ্ট্র বলে দিয়েছে যে, ইমার্জেন্সি ইউজ অথরাইজেশন।
তবে এ নিয়ে খুব খুব উচ্ছ্বসিত হওয়ার সুযোগ নেই। কারণ শুক্রবার প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনেই বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ এর ক্ষেত্রে এই প্রতিষেধকের ব্যবহারের পর তা অনেকক্ষেত্রেই কার্যকর হয়নি। সুতরাং সংশয় রয়েই যায়।
দেশের গবেষণাখাত অত্যন্ত দুর্বল। এটা চরম বাস্তবতা। সুতরাং এই ভাইরাস মোকাবেলায় অন্যান্য দেশ যে প্রতিষেধকের কথা বলছে। তার ব্যবহার ঠিক কিনা সেটি খতিয়ে দেখার সুযোগ আমাদের নেই।
রেমডিসিভির প্রতিষেধক হিসেবে বাজারে আসছে সেটি অবশ্যই সুসংবাদ। কিন্তু সেটি যে শতভাগ কেসের ক্ষেত্রে কাজে দিচ্ছে না তাও আমাদের বিবেচনায় রাখতে হবে। তাই এর ব্যবহারে চিকিৎসকদের খুব বেশি সচেনতন হতে হবে।
আর প্রতিষেধকটি বেশ ব্যয়বহুলও। কর্তৃপক্ষের উচিত হবে এটি বাজারজাত না করা। কারণ দেশে প্রায় আড়াই লাখ দোকান আছে। এর বিক্রেতার অধিকাংশই অদক্ষ। বর্তমানে জনমনে কোভিড-১৯ নিয়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ফলে ঔষুধের অপব্যবহার হতে পারে। সূত্র : সময় টিভি






