321516

১০০ টাকার জন্য বড় ভাইকে খু’ন

ডেস্ক রিপোর্ট।। একশ টাকা চেয়ে না পাওয়ায় বড় ভাই জীবনকে খু’ন করি। শনিবার (৯ মে) ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দিয়ে এ কথা স্বীকার করেন ছোটো ভাই রাজীব ঘোষ।

রাজধানীর মুগদা থানায় দা’য়ের করা জীবন ঘোষ হ’ত্যা মা’মলায় শনিবার রাজীব ঘোষকে হাজির করা হয় আ’দালতে।

মুগদা থানা পু’লিশ তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করার আবেদন জানান। মহানগর হাকিম শহীদুল ইসলাম রাজীবের স্বীকারোক্তি লিপিবদ্ধ করেন। আগের দিন রাজীবকে গ্রে’ফতার করা হয়। পরে তাকে কা’রাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। জীবন ও রাজীব দুই ভাই। বাবা নারায়ণ ঘোষে ব্যবসায়ী।

বাবার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘জীবন ফুড ফ্যান্টাসি’-তে কাজ করেন দুই ভাই। রাজধানীর ৯৩/এ এই প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত। গত ৭ মে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর ওই প্রতিষ্ঠানের ভেতর থেকে জীবনের লা’শ উ’দ্ধার করা হয়। নারায়ণ চন্দ্র ঘোষ শুক্রবার মুগদা থা’নায় একটি হত্যা মা’মলা দা’য়ের করেন। কিন্তু প্রত্যক্ষদর্শী কেউ না থাকায় এজাহারে কারো নাম উল্লেখ করেননি।

পু’লিশ ত’দন্ত করতে গিয়ে দোকান ও আশপাশের ভিডিও ফুটেজ পরীক্ষা করে দেখতে পান জীবনের ভাই রাজীবই এই হ’ত্যাকা’ণ্ডে জড়িত থাকতে পারেন। আর তাই গ্রে’প্তা’র করেন রাজীবকে। গ্রে’ফতা’রের পর তিনি ভাইকে হ’ত্যার কথা স্বীকারও করেন। পরে তার জবানবন্দি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় লিপিবদ্ধ করার আবেদন করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, রাজীব স্বেচ্ছায় তার ভাইকে খু’নের কথা স্বীকাপর করেন। তিনি আদালতকে জানান, বৃহস্পতিবার এক সঙ্গে কাজ করছিলেন। সন্ধ্যার দিকে বড় ভাইয়ের কাছে তিনি ১০০ টাকা চেয়েছিলেন। কিন্তু বড় ভাই টাকা না দিয়ে তাকে গালমন্দ করেন। এক পর্যায়ে চড়ও মারেন। এতেই ক্ষিপ্ত হন রাজীব। পরে ইট দিয়ে বড় ভাইয়ের মাথায় কয়েকটি আ’ঘাত করেন। এতেই মা’রা যান জীবন।

রাজীব আদালতকে জানান, ভাই মা’রা যাওয়ার পর তিনি দোকানের ভেতর লা’শ রেখে দোকানের শাটার ফেলে তালা লাগিয়ে তিনি বাসায় চলে যান। ইফতারের সময় বাইরে কোনো লোকজন ছিল না। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ইট রাস্তায় ও দোকানের চাবি ড্রেনের মধ্যে ফেলে তিনি বাসায় চলে যান। উৎস: পূর্বপশ্চিম।

ad

পাঠকের মতামত