গ’ণধ’র্ষণ মা’মলার এক আ’সামিকে বালু শ্রমিক সেজে ধরলো পু’লিশ
নিউজ ডেস্ক।। গত প্রায় দুই মাস ধরে গ’ণধ’র্ষণ মা’মলার ফেরারি আ’সামি খুঁজছিলেন ময়মনসিংহের নান্দাইল থানার পরিদর্শক ( ত’দন্ত) ও মা’মলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হাসিম উদ্দিন।
অবশেষে গো’পন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাতে বালু শ্রমিক সেজে মা’মলার ৫ আ’সামির একজনকে ধরেছে পু’লিশ। গত বুধবার গভীর রাতে ময়মনসিংহের নান্দাইলের মুশুল্লী ইউনিয়নের আগপাড়া গ্রামের শশুরবাড়ি থেকে আ’সামি সোহাগকে গ্রে’ফতার করা হয়।
পু’লিশ জানায়, গত বছরের ১১ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে এক কিশোরীকে পা’লাক্রমে ধ’র্ষণ করে উপজেলার নান্দাইল রোড বাজার এলাকার পাঁচ দু’র্বৃত্ত। এ ঘটনার পরদিন ওই কিশোরী বাদী হয়ে ওই পাঁচজনকে অ’ভিযুক্ত করে নান্দাইল থা’নায় মা’মলা দা’য়ের করেন। পরে পু’লিশ অ’ভিযুক্তদের পরিচয় সন্ধান করে আলম মিয়া (২৫) নামে একজনকে আ’টক করলেও বাকিরা ছিল প’লাতক। এ অবস্থায় আ’সামি ধরতে ব্যাপক তৎপরতা শুরু করেন নান্দাইল থা’নার পরিদর্শক (ত’দন্ত) হাসিম উদ্দিন।
তিনি জানান, গো’পনসূত্রে খবর আসে গ’ণধর্ষ’ণ মা’মলার আ’সামি সোহাগ মুশুল্লী ইউনিয়নের আগপাড়া গ্রামে শ্বশুরবাড়ির ভেতর রাতে একটি ঘরে বন্ধুদের নিয়ে তাস খেলছে। এ সময় তিনিসহ এসআই আব্দুল করিম, পিএসআই মিথুনসহ মো. শাহিনকে নিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে ডাকতে থাকেন বাড়িতে কেউ আছে কি-না। এ সময় সোহাগ বেরিয়ে এসে জানতে চান চাইলে তিনি বলেন, আমরা বালু শ্রমিক। পাশের একটি পুকুর থেকে বালু তুলতে এসেছি। এ সব কথাবার্তায় টের পেয়ে সোহাগ দৌড় দিলে পু’লিশ ধাওয়া করে তাকে আ’টক করে। গ্রে’প্তারকৃত সোহাগ উপজেলার চন্ডীপাশাইউনিয়নের বারুই গ্রামের গনু মিয়ার ছেলে। অন্য আ’সামিদের গ্রে’প্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পু’লিশ।






