জুমার নামাজে মসজিদে যাচ্ছেন? জেনে নিন শর্ত
নিউজ ডেস্ক।। করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে দীর্ঘ একমাসেরও বেশি সময় পর গতকাল (বৃহস্পতিবার) দেশের মসজিদগুলো সব মুসল্লিদের নামাজের জন্য শর্তসাপেক্ষে খুলে দেয়ার অনুমতি দিয়েছে সরকার।
আজ শুক্রবার। মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের জন্য সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন। আজ পবিত্র জুমাবার। এ বছর রমজান শুরুর পর থেকে এখনও কোনও জুমায় জামাতে নামাজ আদায় করতে পারেননি মুসল্লিরা। তবে সরকারের অনুমতি থাকায় আজ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতি রমজান মাসে প্রথমবার মসজিদে গিয়ে জুমার নামাজ আদায় করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন মুসল্লিগণ। তবে এক্ষেত্রে করোনা সচেতনতায় ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দেয়া ১২টি নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।
কী আছে সেসব শর্তে- চলুন দেখে নিই একনজরে:-
১. মসজিদের কার্পেট বিছানো যাবে না।
২. মসজিদের সংরক্ষিত জায়নামাজ ও টুপি ব্যবহার করা যাবে না।
৩. পাঁচ ওয়াক্তের নামাজের পূর্বে সম্পূর্ণ মসজিদ জীবাণুনাশক দ্বারা পরিষ্কার করতে হবে মুসল্লিগণ প্রত্যেকে নিজ নিজ দায়িত্বে জায়নামাজ নিয়ে আসবেন।
৪. মুসল্লিদের প্রবেশদ্বারে হ্যান্ড স্যানিটাইজার অথবা হাত ধোয়ার ব্যবস্থাসহ সাবান পানি রাখতে হবে।
৫. আগত মুসল্লীরা অবশ্যই মাস্ক পড়ে মসজিদে আসতে হবে।
৬. প্রত্যেককে নিজ নিজ বাসা থেকে অজু করে সুন্নত নামাজ ঘরে আদায় করতে হবে।
৭. প্রত্যেকে নিজ নিজ বাসা থেকে অজু করে সুন্নত নামাজ ঘরে আদায় করে মসজিদে আসতে হবে এবং ওযু করার সময় কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।
৮. কাতারে নামাজে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সামাজিক দ্রুত অর্থাৎ তিন ফুট পর পর দাঁড়াতে হবে। প্রতি এক কাতার অন্তর অন্তর কাতার করতে হবে।
৯. শিশু, বয়স্ক ও যেকোনো অসুস্থ ব্যক্তি এবং অসুস্থদের সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তি মসজিদে জামায়াতে অংশগ্রহণ করতে পারবে না।
১০. সংক্রমণ রোধ নিশ্চিতকল্পে মসজিদের ওজুখানা সাবান ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে।
১১. মসজিদে ইফতার ও সেহরির আয়োজন করা যাবে না।
১২ সর্বসাধারণের সুরক্ষার নিশ্চিতকল্পে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ স্থানীয় প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
এর আগে গত একমাসেরও বেশি সময় ধরে করোনার সংক্রমণ রোধে দেশের মসজিদগুলোতে মুসল্লিদের জমায়েত সীমিত করার পর থেকেই প্রতি ওয়াক্তের নামাজে মাত্র ৫ জন, শুক্রবারের জুমার নামাজে ১০ জন ও রোজা শুরুর পর ১২ জন নিয়ে তারাবির নামাজ হচ্ছিল।






