মসজিদে যাওয়া নিয়ে সরাইলে সং’ঘ’র্ষ, ৩০ জন আহ’ত!
নিউজ ডেস্ক।। ক’রো’না পরিস্থিতিতেও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে সং’ঘ’র্ষ থেমে নেই। আজ বুধবার সকালে পূর্ব’বি’রোধের জের ধরে উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের কাটানিশনার এলাকায় দু’পক্ষের সং’র্ঘ’ষে নারী পুরুষসহ অন্তত ৩০ জন আ’হ’ত হয়েছে।
এ সময় বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ও দোকান ভাঙ’চু’রের শি’কা’র হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ রাবার বু’লেট নি’ক্ষেপ করে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের কাটানিশার উত্তর পাড়া এলাকায় মসজিদে যাওয়া নিয়ে মিজান মিয়া ও মুনসুর মিয়ার মধ্যে বি’রো’ধ চলছিল।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুপুরে মিজান মেম্বারের লোকজন দেশীয় অ’স্ত্র’শ’স্ত্র নিয়ে মুনসুর মুন্সির বাড়ির লোকজনের উপর হা’ম’লা করে। পরে ইয়াছিন মুন্সির বাড়ির লোকজন পাল্টা হা’ম’লা চালায়। পরে উভয়পক্ষে স’শ’স্ত্র সং’ঘ’র্ষে লিপ্ত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ৯ রাউন্ড রাবার বু’লেট নি’ক্ষে’প করে।
নোয়াগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কাজল চৌধুরী জানান, তিন বাড়ি মিলে একটা মসজিদ নির্মাণ করা হয় বছর দশক আগে। এখন ওই পক্ষের কয়েকজন ইদানিং ওই মসজিদে না গিয়ে আরেকটি মসজিদে নামজা পড়তে চায়।
কিন্তু মিজান মিয়ার লোকজন চাচ্ছিলেন তারা যেন ওই মসজিদেই নামাজ পড়েন। এ নিয়ে কথা কা’টা’কা’টির জের ধরে দুই পক্ষের মধ্যে সং’ঘ’র্ষ হয়। ইট’পা’টকেলের আ’ঘা’তে কয়েকজন আ’হ’ত হন। পুলিশ এসে রাবার বু’লে’ট ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
সরাইল থানার ওসি এ এম নাজমুল আহম্মেদ সং’ঘ’র্ষের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পরিস্থিতি বিবেচনায় এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে কোনো পক্ষই থানায় মা’ম’লা দায়ের করেনি।
জেলার সবচেয়ে দাঙ্গাপ্রবণ এলাকা সরাইলে গত ৫ এপ্রিল একদিনেই উপজেলার টিঘর, বড়ইছড়া, বিটঘর, নোয়াগাঁও, ধরন্তী, সৈয়দটুলা (দুইটি ঘটনা) এলাকায় সাতটি সং’ঘ’র্ষে’র ঘটনা ঘটে।
বড়ইছড়ায় অর্ধশতাধিকসহ শতাধিক লোক আ’হ’ত হন। ৩১ মার্চ সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের ভুঁইশ্বর গ্রামে গতকাল মঙ্গলবার হওয়া দু’দল গ্রামবাসীর সং’ঘ’র্ষে উভয়পক্ষের অর্ধশতাধিক লোক আ’হ’ত হন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ২৬ রাউন্ড রাবার বুলে’ট ও ১০ রাউন্ড টিয়ার সেল ছুঁ’ড়তে হয়। ২৬ মার্চ বিজয়নগরের সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামে দুই পক্ষের মধ্যে হওয়া সং’ঘ’র্ষে ২০ জন আ’হ’ত হন। ১২ এপ্রিল সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের আঁখিতারা গ্রামে দুই পক্ষের সং’ঘ’র্ষে ৩০ জন আ’হ’ত হন।
ক’রো’না পরিস্থিতিতে ১১ এপ্রিল থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাকে ল’ক’ডাউন করা হয়েছে। ল’ক’ডাউনের মধ্যেই বরেণ্য ইসলামী আলোচক যোবায়ের আহম্মদ আনসারীর জানাজায় লাকো মানুষের উপস্থিতিও সারা দেশে আলোচনার জন্ম দেয়।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সূত্র মতে জেলায়, বুধবার পর্যন্ত জেলার ৩৯ জন ক’রো’নায় আ’ক্রা’ন্ত হয়েছেন। আ’ক্রা’ন্তদের মধ্যে চিকিৎসকসহ স্বা’স্থ্যকর্মীও রয়েছেন। মা’রা গেছেন দুই জন। আইসোলেশনে থাকাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৭ জন।
সুত্রঃ কালের কন্ঠ




