319323

করোনাভাইরাসে চিকিৎসকের পর এবার এক ব্যাংকারের মৃ’ত্যু

রোনাভাইরাসে আ’ক্রা’ন্ত হয়ে বেসরকারি এক ব্যাংক কর্মকর্তা মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ও ইন্না লিল্লাহি রাজিউন)। ওই কর্মকর্তা সিটি ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগে এফভিপি ছিলেন। তার বয়স হয়েছিল ৪০ বছর। তার সংসারে স্ত্রী ও এক মেয়ে রয়েছে।

রবিবার সকালে ঢাকার মুগদা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃ’ত্যু ঘটে বলে সিটি ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন। ওই কর্মকর্তার মৃ’ত্যু’তে সিটি ব্যাংকের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ এবং পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানানো হয়েছে।

মুগদা হাসপাতালের অধ্যক্ষ (চলতি দায়িত্ব) ডা. শাহ গোলাম নবী একটি গণমাধ্যমকে বলেন, এই হাসপাতালে দুইজন মা’রা গেছেন। তবে ওই ব্যক্তি ব্যাংক কর্মকর্তা কিনা তা কাগজে লেখা নাই।

মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কোভিড-১৯ বিষয়ক টিমের ফোকাল পার্সন সহকারী অধ্যাপক ডা. মাহবুবুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ওই ব্যক্তি করোনাভাইরাসের রোগী ছিলেন। আজ (রবিবার) সকাল ১০টায় তার মৃ’ত্যু হয়েছে।

দেশে করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে লকডাউনের মধ্যেও ব্যাংক খোলা রয়েছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন ব্যাংকার আক্রান্তও হয়েছেন। তবে ‘মৃ’ত্যু’র ঘটনা এটাই প্রথম।

সিটি ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, কয়েকদিন ধরে ওই কর্মকর্তা সর্দি-কাশি এবং জ্বরে ভুগছিলেন। চিকিৎসকের পরামর্শে দুই বার তিনি নমুনা পরীক্ষা করিয়েছিলেন। তবে দুবারই ‘নেগেটিভ’ আসে। চিকিৎসকের পরামর্শে বাসায় চিকিৎসা নিচ্ছিলেন তিনি।

অসুস্থতা বাড়লে শনিবার সকালে আবারও মুগদা হাসপাতালে যান ওই ব্যাংক কর্মকর্তা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ শাহরিয়ারকে ভর্তি করে নেন। নমুনা আবার পরীক্ষা করে করোনাভাইরাস ‘পজিটিভ’ আসে।

সিটি ব্যাংকের ওই কর্মকর্তাকে হাসপাতালে ভর্তির পরই মোবাইল ফোনে তার পরিবারকে কল করে তার সঙ্গে দেখা না করার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। মৃ’ত্যু’র পর তার পরিবারের সদস্যদের বাড়িতে থাকতে বলা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ওই কর্মকর্তার লাশ স্বজনদের কাছে দেওয়া হয়নি।

সিটি ব্যাংকের এক কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেন, মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর না করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিধি অনুযায়ী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রাজধানীর তালতলা কবরস্থানে দা’ফ’ন করে।

ad

পাঠকের মতামত