টিসিবির পণ্য কিনতে রাস্তায় ব্যাগ রেখে লাইন দখল
নিউজ ডেস্ক।। রাস্তায় বাজারের ব্যাগ রেখে লাইনে দাঁড়ানোর জায়গা দখল করা হয়েছে। একে একে শতাধিক মানুষ এ কাজটি করছেন।
এতে বাদ যায়নি নারীরাও। কেউ আবার ঘুরে ফিরে ব্যাগ পাহারাও দিচ্ছেন।
ঝালকাঠি শহরের চাঁদকাঠি এলাকায় ট্রেডিং কর্পোরেশন বাংলাদেশের (টিসিবি) পণ্য বিক্রয় কেন্দ্রের সামনে এমন চিত্র দেখা যায়। স্বল্পমূল্যে পণ্য কিনতে সকাল থেকে রাস্তার পাশে ব্যাগ রেখে লাইনে দাঁড়ানোর জায়গা দখল করছেন ক্রেতারা। শুধু চাঁদকাঠি এলাকায় নয়, ঝালকাঠি শহরের আড়তদারপট্টি ও স্টেশন রোডেও প্রতিদিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চোখে পড়ে এমন দৃশ্য।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবেলায় ঝালকাঠিতে অসংখ্য মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়ে। মধ্যবিত্তরা সাহায্যের জন্য হাত পাততেও পারছে না। এ অবস্থায় সরকার টিসিবির মাধ্যমে স্বল্পমূল্যে চিনি, তেল ও ডাল বিক্রি শুরু করে। রমজান শুরু হওয়ায় এর সঙ্গে খেজুর যুক্ত করা হয়েছে। সপ্তাহে পাঁচ দিন ঝালকাঠি শহরের তিনজন ডিলার টিসিবির পণ্য বিক্রি করছেন। দুপুর থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিক্রি করা এসব পণ্য। টিসিবির মালামাল কিনতে সকাল থেকেই অনেকে দোকানের সামনে থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতেন। কয়েকদিন ধরে ক্রেতারা ধরণ পাল্টে ফেলেছেন। রাস্তায় ব্যাগ রেখে তাদের লাইনের জায়গা দখল করে রাখছেন। দুপুরে মালামাল দেওয়া শুরু হলেই ব্যাগ হাতে নিয়ে যারযার স্থানে লাইনে দাঁড়িয়ে পড়ছেন তারা।
চাঁদকাঠি এলাকায় ব্যাগ রেখে জায়গা দখল করার সময় এক নারীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি সকাল ১০টার দিকে ব্যাগ রেখেছি। এখন বাসায় গিয়ে রান্না করে, দুপুরে এসে লাইনে দাঁড়াবো। রাস্তায় ব্যাগ না রাখলে সবার পেছনে দাঁড়িয়ে মালামাল নাও পেতে পারি।
শহরের স্টেশন রোডে গিয়ে একই দৃশ্য চোখে পড়ে। সেখানে মজিদ হাওলাদার নামে এক ব্যক্তি ব্যাগ রেখে ঘুরে ফিরে পাহারা দিচ্ছেন। জানতে চাইলে তিনি বলেন, সকাল ১১টায় ব্যাগ রাখছি, এতেই ৫০ জনের পেছনে পড়েছি। আর একটু পরে আসলে যায়গাই পেতাম না।
আড়তদারপট্টির টিসিবির ডিলার জাহাঙ্গীর হোসেন বাবুল বলেন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে টিসিবির পণ্য বিক্রি করতে বলা হয়েছে। আমরাও সে নির্দেশনা ক্রেতাদের জানিয়েছি। এর পর থেকেই তারা লাইনে না দাঁড়িয়ে আগে রাস্তায় ব্যাগ রেখে যাচ্ছে। যখন পণ্য বিক্রি শুরু হয়, তখণ গিয়ে লাইনে দাঁড়ায়। উৎস: কালের কন্ঠ।






