কাফনের কাপড় পরে বিচার চাইছে ধ’র্ষিতা’র পরিবার!
নিউজ ডেস্ক।। এক পরিবারের হা’ম’লা থেকে বাঁ’চ’তে রূপগঞ্জে কাফনের কাপড় পরে বিচার এবং আশ্রয় চেয়েছে একটি পরিবারের কয়েকজন সদস্য। আজ শুক্রবার দুপুরে উপজেলার রূপগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় এক ছাত্রী ধ’র্ষ’ণের ঘটনায় পাঁচ দিন কেটে গেছে। কিন্তু পু’লি’শ মা’ম’লা না নেওয়ায় কাফনের কাপড় পরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে ধ’র্ষণে’র শিকার ওই ছাত্রীর পরিবারের সদস্যরা।
উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভার দক্ষিণ কেরাব এলাকায় ওই পরিবারের বাড়ি। তাদের মেয়ে স্থানীয় একটি মাদরাসার অষ্টম শ্রেণিতে লেখাপাড়া করে। গত দেড় বছর আগে উপজেলার দক্ষিণ কেরাব এলাকার কবির হোসেনের ছেলে ইব্রাহিম মিয়া বিভিন্ন প্র’লোভ’ন দেখিয়ে তার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে।
কাফনের কাপড় পরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা পরিবারের অ’ভিযো’গ, গত এক বছর ধরে ইব্রাহিম বিয়ের প্র’লোভ’ন দেখিয়ে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে তাদের মেয়ের সঙ্গে প্রতিনিয়ত শারীরিক সম্পর্ক করত। বেশ কিছুদিন ধরে ইব্রাহিমকে বিয়ের জন্য জোর করছিল তাদের মেয়ে। কিন্তু ইব্রাহিম টালবাহানা শুরু করে। পরে যোগযোগ বন্ধ করে দিলে মেয়েটিকে হু’ম’কি-ধা’ম’কি দিতে শুরু করে।
পরিবারটি জানায়, গত ১৯ এপ্রিল রাতে ইব্রাহিম তাদের মেয়েকে তার বাড়ির পাশে দেখা করতে বলে। তার কথামতো সেখানে গেলে মেয়েটিকে ধ’র্ষ’ণ করে ইব্রাহিম। বিষয়টি জেনে ভুক্তভোগীর পরিবারের লোকজন বিষয়টি ইব্রাহিমের বাবা কবির হোসেন ও মা লিপি বেগমকে জানালে তারা তাদের হু’ম’কি-ধাম’কি দিয়ে বাড়ি থেকে বরে করে দেন।
ধ’র্ষণে’র শিকার পরিবারটি অ’ভি’যোগ করে বলে, গত ২০ এপ্রিল তাদের মেয়ে বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় ইব্রাহিমের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে ধ’র্ষণে’র অ’ভি’যোগ করে। ভোলাব পু’লি’শে’র ত’দ’ন্ত কেন্দ্রর পরিদর্শক সাইফুল ইসলারে বি’রু’দ্ধে তারা ঘু’ষ নেওয়ার অ’ভিযো’গও করেন। তারা বলেন, ইব্রাহিমের বাবার কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে তিনি মা’ম’লা নিতে অপরাগতা প্রকাশ করেন।
তাদের আরও অ’ভিযো’গ, ইব্রাহিমের পরিবার ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের লোকজনকে প্রতিনিয়ত হু’ম’কি দিচ্ছে। এ নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ঘরছাড়া ধ’র্ষি’তা ও তার পরিবার।
এদিকে ধ’র্ষ’ণের শিকার ওই ছাত্রীর চাচা অ’ভি’যোগ করেন, রূপগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচির পর বাড়িতে যাওয়ার সময় তাদের আর কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তার আশঙ্কা, ইব্রাহিমের বাবা কবির তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে হ’ত্যা’র উদ্দেশ্যে তাদের অ’পহর’ণ করে নিয়ে গেছে।
এ বিষয়ে ভোলাব ত’দ’ন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সাইফুল ইসলামের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। উৎস: দৈনিক আমাদের সময়।




