শ্যালিকাকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ধ’র্ষ’ণ, লজ্জায় আ’ত্ম’হ’ত্যা!
নিউজ ডেস্ক।। জুসের মধ্যে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে কিশোরী শ্যালিকাকে ধ’র্ষ’ণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় লোকলজ্জার ভয়ে ওই কিশোরীর আ’ত্ম’হ’ত্যা করেছে। এমন ঘটনাই ঘটেছে রাজশাহীর পুঠিয়ায়। ওই ঘটনায় মা’মলা’র তালিকাভূক্ত আ’সা’মি দুলাভাই পলাতক রয়েছে। পু’লি’শ ওই কিশোরীর লা’শ উদ্ধার করে ম’য়না’তদ’ন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ম’র্গে পাঠিয়েছে।
ওই কিশোরী পুঠিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ত। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজ বাড়িতে আ’ত্মহ’ত্যা করে সে।
ইভার বাবা জানান, প্রায় তিনমাস আগে উপজেলার জিউপাড়া ইউনিয়নের হলহোলিয়া গ্রামে এখলাস আলীর সঙ্গে তার বড় মেয়ের বিয়ে হয়। প্রায় ১৫ দিন আগে মেয়ের শ্বশুর-শাশুড়ি বেড়াতে গেলে বাড়িতে বড় মেয়ে একা হয়ে যায়। দুই বোন এক সঙ্গে থাকলে ভালো হয় জানিয়ে জামাই এসে ছোট মেয়েকেও নিয়ে যায়। ছোট মেয়ে তার বোনের বাড়িতে প্রায় এক সপ্তাহ থাকে। এরপর কয়েকদিন আগে সে বাড়ি এসে কার সঙ্গে কোনো কথা বলত না।
কিশোরীর বাবা আরও জানান, চঞ্চল মেয়ে গম্ভির হয়ে সারা দিন ঘরের মধ্যে থাকত। পরে সে তার মাকে বলে, দুলাভাই জুসের মধ্যে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে খাইয়ে শা’রী’রিক নি’র্যা’তন করেছে। বিষয়টি জানার পর এখলাসের বাড়ি থেকে বড় মেয়েকে নিয়ে আসে তার পরিবার।
কিশোরীর বাবা বলেন, ‘গতকাল সকালে দুই মেয়েকে সকালের খাবার খাইয়ে আমি ভ্যান চালাতে রাজশাহী শহরে যাই। সেখানে যাওয়ার পর ছোট মেয়ের আ’ত্মহ’ত্যা’র খবর পাই। যাদের কারণে ছোট মেয়ে আ’ত্নহ’ত্যা করল আমি তাদের কঠিন বিচার চাই।’
থা’না’র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল ইসলাম আ’ত্ম’হ’ত্যা’র বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘পু’লি’শ বৃহস্পতিবার দুপুরে খবর পেয়ে নি’হতে’র লা’শ উদ্ধার করে থা’না’য় আনে। আজ শুক্রবার সকালে ময়’নাত’দন্তের জন্য তার লাশ রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ম’র্গে পাঠানো হয়েছে।’
এ ঘটনায় গতকাল রাতে ভূক্তভোগী মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে জামাইসহ তিনজনের বিরুদ্ধে একটি মা’ম’লা দায়ের করেছেন। ঘটনার পর মা’মলা’র প্রধান আ’সা’মি এখলাস আলী ও তার বাবা পলাতক রয়েছেন। তবে মামলার তিন নম্বর আ’সা’মি এখলাসকে (৪৮) আ’ট’ক করা হয়েছে।




