304680

সুজনকে ধমক দিলেন পাপন

ক্রীড়া ডেস্কঃ খালেদ মাহমুদ সুজন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালনা পর্ষদের একজন সদস্য। যিনি একই সঙ্গে বিসিবির টিম ম্যানেজমেন্টে আছেন, আবাহনী, ঢাকা ডায়নামাইটসের কোচ, আবার জাতীয় দলের ম্যানেজারের দায়িত্বও পালন করেন তিনি। সাধারণত জাতীয় দলের যেকোনো সিরিজ বা টুর্নামেন্টের পর পারফরম্যান্সের মূল্যায়নের রিপোর্ট জমা দিতে হয় ম্যানেজারকে।

খেলা শেষে বোর্ডের কাছে এ জবাবদিহিতা আবশ্যক। তবে খালেদ মাহমুদ নিজেই ম্যানেজার, আবার নিজেই বোর্ড সদস্য। তাই জাতীয় দলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন নিয়ে এক ধরনের নৈতিকতার বিষয়টি জড়িত তাকে ঘিরে।

এখানেই শেষ নয়, সব সময়ই খেলোয়াড়দের বিপক্ষে কথা বলেন তিনি। ঘরোয়া ক্রিকেটে আম্পায়ারের পক্ষপাতিত্ব বা ম্যাচ পাতানোর অভিযোগকেও সাজানো নাটক বলে চালিয়ে দিয়েছেন সাবেক অধিনায়ক। তার এই কর্মকাণ্ড গত বুধবারই (২৩ অক্টোবর) জেনে গেছেন বিসিবি সভাপতি। মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) বিসিবিতে যে জরুরি সভা হয়, সেখানেও সুজন বর্তমান খেলোয়াড়দের প্রতি আক্রমণাত্মক ছিলেন। বুধবার রাতের খেলোয়াড়দের বৈঠকেও একই রকমভাবে নিজের অবস্থান ধরে রাখেন খালেদ মাহমুদ। সুজন বলেন, ঢাকার ক্রিকেটে কোনো পাতানো ম্যাচ হয় না। আম্পায়ারদের দু-একটি ভুল ছাড়া বাকি সবই নাকি কোচ, খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের সাজানো নাটক।

বারবার খেলোয়াড়দের বিপক্ষে অবস্থান করাতে রেগে যান বিসিবি সভাপতি। রাগান্বিত হয়ে তিনি বলে ওঠেন, ‘চুপ করো। তুমি (খালেদ মাহমুদ) আর কথা বলবা না। একটা কথাও না। তোমার লজ্জা লাগে না! টাকা নাও আবার কথা বলো! আমাকে অনেক ভুল বুঝাইছ এত দিন।’

মঙ্গলবারের সংবাদ সম্মেলনেও নাজমুল হাসান স্বীকার করেন, বিসিবির পরিচালক হয়েও জাতীয় দলের ম্যানেজার হিসেবে খালেদ মাহমুদের বেতন নেওয়া, ঘরোয়া ক্রিকেটে বিভিন্ন দলের কোচিং করানো স্বার্থের পরিপন্থি।

এর আগে একাধিকবার ক্যাসিনোতে ধরা পড়ার ঘটনাও রয়েছে খালেদ মাহমুদের। তবে সুজন দাবি করেছিলেন জুয়া খেলতে যাননি তিনি। এছাড়া ২০১৩ সালে মোহাম্মদ আশরাফুলের ম্যাচ পাতানোর সময়েও অভিযোগও উঠেছিল সুজনের ওপর। যদিও সে সময় বিষয়টি অস্বীকার করেন জাতীয় দলের সাবেক এ ক্রিকেটার।

সূত্রঃ অধিকার

ad

পাঠকের মতামত