একদিন শুনব আবরার হত্যায় ১৯ জনের ১৮ জন বেকসুর খালাস: মান্না
ছাত্রলীগের মারধরে নিহত বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ ন্যায়ের প্রতীক বলে মন্তব্য করেছেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না। তিনি বলেছেন, যত বাধাই আসুক, এই প্রতীক নিয়ে আমরা অন্যায়ের প্রতিবাদ করব।
মান্না বলেন, ‘ফাহাদ হত্যায় জড়িত ১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একদিন শুনতে হবে ১৯ জনের ১৮ জন বেকসুর খালাস। আমরা বিশ্বজিৎ হত্যায় দেখেছি আসামিরা কীভাবে মাফ পেয়ে যায়। তারা এখন বলছে, ফাহাদ হত্যায় ন্যায় বিচার হবে।’
বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ডাকসু’র সাবেক নেতৃবৃন্দদের উদ্যােগে আয়োজিত এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে মাহমুদুর রহমান মান্না এসব কথা বলেন। ডাকসুর সাবেক ভিপি আ স ম আব্দুর রবের সভাপতিত্বে ‘বুয়েটের ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যার প্রতিবাদে’ এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মান্না বলেন, দেশ আজ গভীর সংকটের মধ্যে আছে। স্বাধীনতার ৪৮ বছরে এমনটা হয়নি। আজ এমন অবৈধ সরকার ক্ষমতায় আছে, যারা জনগণের ভোটের অধিকার ছিনিয়ে নিয়েছে। এরা মানুষ তৈরি করতে জানে না। একটি মেধাবী ছাত্র রাজনীতি করতে ছাত্রলীগে গেলে খুনি হয়ে বের হয়। ছাত্রলীগ মানে ব্যালট বাক্স ছিনতাই করো। হত্যা করো। র্যাগিং করো, গণরুমে মেধাবীদের রেখে দাও।
তিনি বলেন, আবরার ফাহাদকে হত্যার পেছনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম জড়িত। ছাত্রলীগ ফাহাদকে ধরে নিয়ে যাওয়ার সময় ভিসিকে বলা হলেও তিনি হলে আসেননি। কোনো পদক্ষেপও নেননি। ছাত্রটি মারা যাওয়ার পরও আসলেন না। জানাজাতেও আসলেন না। অনেক পরে তিনি কুষ্টিয়াতে গেলেন কবর জিয়ারত করতে। তাই এই পাষণ্ড ভিসির অপসারণের দাবি জানাই।
মান্না অভিযোগ জানিয়ে বলেন, আওয়ামী লীগের এজেন্ডা হলো মানুষকে পিটিয়ে মারা। বিরোধীদের দমন করা। বিরোধী মত প্রকাশ করলে তাদের কথা বন্ধ করে দেয়া। তারা শত কোটি টাকার ঋণের খেলাপি হয়েও নির্বাচনে দাঁড়াতে পারে। আর খালেদা জিয়া মাত্র দুই কোটি টাকা একটা অ্যাকাউন্টে রেখেছেন। যা সুদ-আসল মিলে এখন আট কোটি টাকা। অথচ বিনা কারণে তাকে সাজা দেয়া হলো। জেলে রাখা হচ্ছে অসুস্থতার মধ্যেও। এমনকি জামিনযোগ্য হলেও দেয়া হচ্ছে না।






