300947

এক বেয়াইকে মারধর করে সম্পত্তি লিখে নিলেন আরেক বেয়াই

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে এক বেয়াইকে মারধর করে আরেক বেয়াই সম্পত্তি লিখিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।  মারধরের শিকার হয়ে গোলাম কিবরিয়া, তার স্ত্রী পেয়ারা খাতুন ও ছেলে মো. জুয়েল নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

উপজেলার চরএলাহী ইউপির ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি বর্তমান সদস্য মো. হেলাল, মো.সাহাব উদ্দিন মেম্বার ও আবদুল গণি’র সহযোগিতায় দিনভর তাদের আটক রেখে রোববার এ ঘটনা ঘটানো হয়। এ সময় তার বেয়াই মো. হেলাল ঘর-ভিটিসহ ২০ শতাংশ সম্পত্তি স্ট্যাম্পের মাধ্যমে লিখে নেন।

ভুক্তভোগী গোলাম কিবরিয়া জানান, কয়েক মাস আগে তার ছোট ছেলের সঙ্গে স্থানীয় ৪নং ওয়ার্ডের মেম্বার মো. হেলালের মেয়ের বিয়ে হয়। হঠাৎ মেম্বার ফোনে তাদের বাড়িতে ডেকে নিয়ে বলে তার ছেলে নাকি আরো একটা বিয়ে করেছে। এ কথায় কিবরিয়া প্রতিবাদ করলে মেম্বার ও তার ছেলেসহ তাকে বেধড়ক মারধর করে। একপর্যায়ে তার স্ত্রী ও বড় ছেলেকেও মারধর করে এবং বাড়িতে আটক করে রাখে। পরে সাহাব উদ্দিন ও আব্দুল গণিকে ডেকে এনে পুনরায় মারধর করে এবং জোর করে স্ট্যাম্পে তার বসত-ভিটাসহ ২০ শতাংশ জমি মাধ্যমে লিখে নেয়।

সাহাব উদ্দিন মেম্বার বলেন, আমার সামনে বেয়াইকে কোনো মারধর করা হয়নি। তবে সম্পত্তি স্বেচ্ছায় লিখে দিয়েছেন।

আবদুল গণি বলেন, আমাদের সামনে মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি, যা হওয়ার আগে হয়েছে। বৈঠকে মেয়ের বাবাকে তিন লাখ টাকা দেয়ার সিন্ধান্ত হয়েছে। টাকার সিকিউরিটি হিসেবে সম্পত্তি লিখে নেয়া হয়েছে।

ইউপি সদস্য মো. হেলাল তার বিয়াইকে আটকে রেখে মারধরের অভিযোগসহ সব অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে বলেন, তারা প্রতারক। আগের দুইটি বিয়ের কথা গোপন রেখে আমার মেয়েকে বিয়ে করে ওই ছেলে। তারা বাপ ছেলে মারামারি করেছে। উল্টো আমার টাকায় তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি আরিফুর রহমান জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগীকে থানায় লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ad

পাঠকের মতামত