মিয়ানমারকে সাবমেরিন উপহার দিচ্ছে ভারত
আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ পার্শবর্তী দেশ মিয়ানমারকে সাবমেরিন দিতে যাচ্ছে ভারত। আইএনএস সিধুবীর নামে কিলো ক্লাস সাবমেরিনটি ১৯৮০ সালে রাশিয়া থেকে কিনেছিল ভারত।
ভারত জানিযেছে, দুই দেশের মধ্যে সামরিক সম্পর্ক বৃদ্ধি, যৌথ মহড়া এবং প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে সাবমেরিনটি মিয়ানমারকে দিতে যাচ্ছে ভারত।
অবশ্য ভারত এমন সময় মিয়ানমারকে এই সাবমেরিন দিতে যাচ্ছে, যখন চীন থেকে বাংলাদেশের সাবমেরিন কেনা নিয়ে ক্ষুব্ধ নয়াদিল্লি।জানা গেছে, চলতি বছরের শেষ দিকে সাবমেরিনটি মিয়ানমারের হাতে তুলে দেয়া হবে। সে লক্ষ্যে অন্ধ্রপ্রদেশে বঙ্গোপসাগরের তীরে হিন্দুস্তান শিপইয়ার্ড লিমিটেডের কারখানায় সাবমেরিনটির আধুনিকায়ন চলছে।
ভারত ও মিয়ানমারের মধ্যে সামরিক সম্পর্ক বৃদ্ধিতে কয়েক মাস ধরেই বৈঠক চলছি। সে বৈঠকের ফল হিসেবেই এ সাবমেরিন পাচ্ছে মিয়ানমার।দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সামরিক সহযোগিতা, যৌথ মহড়া, সামরিক অবকাঠামো নির্মাণ সেইসঙ্গে মিয়ানমারকে সামরিক প্রশিক্ষণ প্রদান এবং দেশটির নৌশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানায় ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
গত চার বছর ধরে পর্যবেক্ষণের পর মিয়ানমারের সামরিক শক্তি বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তাকে গুরুত্ব দিচ্ছে ভারত। দ্বিপক্ষীয় আলোচনার প্রেক্ষিতে এ মাসের শুরুতে ভারত মিয়ানমারকে হালকা ওজনের টর্পেডো সরবরাহ করেছে। ২০১৭ সালের ৩৮ মিলিয়ন ডলারের অস্ত্র রপ্তানি চুক্তির অংশ হিসেবে এই টর্পেডো সরবরাহ করা হয়।
এদিকে ২০১৭ সালে চীন থেকে দুইটি সাবমেরিন কিনেছে মিয়ানমার প্রতিবেশী বাংলাদেশ। চীন সাবমেরিন বিক্রির জন্য মিয়ানমারের সঙ্গেও আলোচনা চালায়। এই অঞ্চলে সামুদ্রিক মারণাস্ত্র বাণিজ্য এবং সরবরাহের মাধ্যমে শক্তি বৃদ্ধি করতে চাচ্ছে চীন।
বাংলাদেশকে সাবমেরিন দেওয়ার মধ্যে দিয়ে চীনের এমন প্রচেষ্টায় উদ্বিগ্ন ভারত। এ জন্য আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারে মিয়ানমারের সঙ্গে সামরিক শক্তি বৃদ্ধিতে এগিয়ে আসতে চায় নয়াদিল্লি।






