চার লাখ টাকা ঋণ করে ২৯ দিন আগে সৌদি আরবে যায় জামাল …
সৌদি আরবের সাগরা এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১০ বাংলাদেশির মধ্যে তিনজনের বাড়ি নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলায়। নিহতদের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। পরিবারের উপার্জনক্ষম মানুষকে হারিয়ে দিশেহারা তিনটি পরিবার। সংসারের সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে এক মাস আগে সৌদি আরবে পাড়ি জমান তারা।নিহতরা হলেন- মনোহরদী উপজেলার তারাকান্দি গ্রামের মান্নান মাঝির ছেলে জামাল উদ্দিন মাঝি, শেখেরগাঁ গ্রামের রশিদ মিয়ার ছেলে ইমদাদুল ও খিদিরপুর গ্রামের আব্দুল মান্নান শেখের ছেলে মো. আল আমিন।
সৌদি আরবের বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে জানা যায়, বুধবার সকালে রিয়াদ থেকে ১৫০ কিলোমিটার দূরে সাগরা ১৭ জন বাংলাদেশিকে বহনকারী একটি মিনিবাস চাকা ফেটে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ১০ বাংলাদেশি নিহত হন। তারা সবাই আল হাবিব কোম্পানি ফর ট্রেডিং কমার্শিয়াল কন্ট্রাক্টস নামে একটি প্রতিষ্ঠানে কমর্রত ছিলেন।
নিহত জামালের ভাই কামাল বলেন, চার লাখ টাকা ঋণ করে মাত্র ২৯ দিন আগে জামাল সৌদি আরবে যায়। তার ৪ ছেলে ও ১ মেয়ে রয়েছে। জামাল এখানে তরকারি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতো। সংসারের সচ্ছলতা ফিরাতে বিদেশে পাড়ি জমায়। কিন্তু ভাগ্যে সহায় হলো না। টাকাও গেলো ভাইটাও গেলো। সঙ্গে আমাদের কপালও পুড়ল।
নিহত ইমদাদুলের ভাই মোশারফ বলেন, ৩৬ দিন আগে ইমদাদুলকে বিদেশে পাঠিয়েছিলাম। এক মাস যেতে না যেতেই ভাইয়ের মৃত্যুর খবর। তা মানতে পারছি না। সরকারের কাছে একটাই দাবি দ্রুত যেন নিহতদের মরদেহ দেশে আনার ব্যাবস্থা করে।




