287358

সাকিবকে দেশে ফিরিয়ে আনবে বিসিবি

স্পোর্টস ডেস্ক: বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলে কারা থাকছেন এটা নিয়ে ইতিমধ্যেই গুঞ্জন তৈরি হয়েছে। তবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন জানালেন, দল মোটামুটি চূড়ান্ত। যে কোনো সময়ই ঘোষণা হতে পারে দল। গতকাল হোটেল সোনারগাঁওয়ে বিএসপিএ’র স্পোর্টস অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। বর্ষসেরা সংগঠকের পুরস্কার নিয়ে পাপন বলেন, যেকোনো স্বীকৃতি আনন্দের। আর সেটা যদি হয় দেশের প্রাচীনতম সংগঠনের পক্ষ থেকে, সেটা অবশ্যই একটা আলাদা মর্যাদা বহন করে। এই অনুষ্ঠানেই সাকিবকে ভারত থেকে দেশে ফিরিয়ে আনার কথাও বলেন বিসিবি বস।

ইনজুরির কারনে নিউজিল্যান্ড সফরে দলে ছিলেন না সাকিব আল হাসান। ইনজুরি কাটিয়ে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে আইপিএল খেলছেন দেশসেরা এই ক্রিকেটার। বিশ্বকাপের আগে সাকিবের টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে খেলাটাকে ভালোভাবে দেখছেন না বিসিবি সভাপতি। তার ওপরে সানরাইজার্সের ফরমেশনের কারণে একাদশে সুযোগ পাচ্ছেন না এই ক্রিকেটার। ম্যাচ খেলতে না পারার কারণে সাকিবকে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে কিনা জানতে চাইলে পাপন বলেন, বিশ্বকাপের আগে সাবিককে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে খেলতে দিতে রাজি ছিল না বিসিবি। শেষ পর্যন্ত ম্যাচ প্র্যাকটিসের কথা বিবেচনা করেই ওকে আইপিএল-এ খেলার ছাড়পত্র দেয়া হয়।

ও যদি এখন ম্যাচই খেলতে না পারে তবে সেখানে রেখে লাভ কী? জাতীয় দলের ক্যাম্প শুরু হলে সাকিবকে দেশে ফিরিয়ে আনার কথা বলেন বিসিবি সভাপতি। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বিশ্বকাপের স্কোয়াড নিয়ে পাপন বলেন, আমাদের দল মোটামুটি চূড়ান্ত হয়ে আছে। তামিম ইকবাল, লিটন কুমার দাস, সৌম্য সরকার, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহীম, মোহাম্মদ মিঠুন, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, সাব্বির রহমান রুম্মন, সাইফউদ্দিন, মেহেদী হাসান মিরাজ, মাশরাফি বিন মুর্তজা, রুবেল হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান। এদের বাইরে পাপনের ভাবনায় আছেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, ফরহাদ রেজা, জহুরুল ইসলাম অমি, এনামুল হক বিজয়। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পরীক্ষিত মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের বিশ্বকাপ দলে থাকার সম্ভবনা বেশি বলে মনে ইঙ্গিত দেন বিসিবি সভাপতি। দল নিয়ে চিন্তা না করলেও ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপে পেস বোলিং নিয়ে চিন্তিত পাপন বলেন, এটা আমাদের সেরা বিশ্বকাপ দল হবে এটা নিশ্চিত।

তবে অন্যদের চেয়ে আমরা এখানে কয়েকটি জায়গায় পিছিয়ে থাকবো। তার একটি হলো পেস বোলিং। অন্যরা যেখানে ১৪০-১৫০ গতিতে নিয়মিত বোলিং করে, সেখানে আমাদের পেসারদের গতি ১৩০এর ঘরে। মাঝে মাঝে ১৩৮-১৩৯ হয়। তাও খুব বেশি না। স্পিন বোলিংয়ে আমাদের ঘাটতি আছে। অন্য দলগুলো যেখানে স্পেশালিষ্ট লেগ স্পিনার নিয়ে বিশ্বকাপে কাপে যাচ্ছে। সেখানেও আমাদের ঘাটতি রয়েছে। এর বাইরে আমাদের ম্যাচ উইনারদের ধারাবাহিকতার অভাব রয়েছে। পাপন বলেন, ‘আমাদের দলে প্রচুর ম্যাচ উইনার আছে। যারা একাই ম্যাচের ফল উলটপালট করে দিতে পারে।’ কিন্তু এদের ধারাবাহিকতার ঘাটতিকেও বিশ্বকাপের বড় মঞ্চে সমস্যা হিসেবে দেখছেন তিনি। তবে সবকিছু ছাপিয়ে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ভালো করার সম্ভাবনা দেখছেন দেশের ক্রিকেটের এই অভিভাবক। আগামী জুন-জুলাইয়ে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হবে ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় আসর। সূত্র: মানব জমিন

ad

পাঠকের মতামত