জাহাজে চড়ে কলকাতায় মাত্র ১৫০০ টাকায়, যাওয়া যাবে এই মাস থেকেই
নিউজ ডেস্ক।। বাসে, বিমানে কিংবা ট্রেনে চড়ে হরহামেশাই চলাচল করা যায় কলকাতায়। তবে প্রতিবেশী দেশটিতে নৌপথে যাত্রীদের যাতায়াতের সুযোগ ছিল না। এবার সে বাধা কাটছে। এরই অংশ হিসেবে ২৯ মার্চ পরীক্ষামূলকভাবে ঢাকা-কলকাতা-ঢাকা রুটে চালু হচ্ছে যাত্রীবাহী জাহাজ সার্ভিস।
সেদিন সন্ধ্যা ৭টায় নারায়ণগঞ্জের পাগলাস্থ মেরি এন্ডারসন ভিআইপি জেটি থেকে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) জাহাজ এমভি মধুমতি ছেড়ে যাবে। দুদেশের নৌ প্রটোকল চুক্তির আওতায় পর্যটকদের যাতায়াতের সুবিধার্থে এ সেবা চালু হচ্ছে।
জাহাজটি বরিশাল, মোংলা, সুন্দরবন, খুলনার আন্টিহারা, ভারতের হলদিয়া হয়ে ৩১ মার্চ আনুমানিক দুপুর ১২টায় কলকাতায় পৌঁছবে। আসলে নৌপথে ভ্রমণ কার না ভালো লাগে! এক দেশ থেকে আরেক দেশে ক্লান্তিহীন এ যাত্রার খরচটাও তুলনামূলক কম। এমভি মধুমতি জাহাজে ঢাকা-কলকাতা ভ্রমণের জন্য (একক যাত্রায়) রয়েছে দুজনের ফ্যামিলি স্যুট ভাড়া ১৫ হাজার টাকা, প্রথম শ্রেণি কেবিন (এক সিট) প্রতিটি ৫ হাজার টাকা, প্রথম শ্রেণি সেমি ডাবল কেবিন ৭ হাজার টাকা, ডিলাক্স শ্রেণি কেবিন (দুই সিট) প্রতিটি ১০ হাজার টাকা, ইকোনমি চেয়ার প্রতিটি ২ হাজার টাকা এবং সুলভ ও ডেক শ্রেণির যাত্রীপ্রতি ভাড়া ১ হাজার ৫০০ টাকা।
জাহাজে প্রাতরাশ, মধ্যাহ্নভোজ, বিকালের নাশতা ও রাতের খাবারের ব্যবস্থা থাকবে। তবে এসব খাবার কিনে খেতে হবে। ভারত যাওয়ার ভিসাসহ সেখানকার হোটেল বুকিং এবং ভ্রমণসংক্রান্ত অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাজ ভ্রমণকারীকে নিজ দায়িত্বে ও খরচে করতে হবে। এমনকি কোন পথে যাত্রীরা যাবেন এবং কলকাতা হয়ে ফেরত আসবেন, ভিসায় সে বিষয়ও উল্লেখ থাকতে হবে বলে জানানো হয়। নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে গতকাল এ বিষয়ে সার্বিক প্রস্তুতি পর্যালোচনাসংক্রান্ত এক সভায় এ তথ্য জানানো হয়। নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।




