278215

নর্থসাউথের ছাত্র তুর্য আর ঘুরে বেড়াবে না শখের গাড়িতে!

নিউজ ডেস্ক।। পড়াশোনা নর্থসাউথ ইউনিভার্সিটিতে। শখ ঘুরে বেড়ানো। নিজেই ড্রাইভ করে শখের গাড়িতে করে ঘুরে বেড়াতেন তিনি, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আসতেন। পড়াশোনার ফাঁকে বন্ধুদের নিয়ে আড্ডায় মেতে উঠতেন। হাসিখুশি সেই ছেলেটির উচ্ছ্বলতা চিরজীবনের জন্য থেমে গেছে। একটি দুর্ঘটনায় তিনি চলে গেছেন না ফেরার দেশে। এই ছেলেটি আর কোনদিন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আড্ডায় মেতে উঠবে না। পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাবে না। বাবা-মায়ের কাছে এটা ওটা নিয়ে বায়না ধরবে না। সড়ক দুর্ঘটনায় থেমে গেছে একটি সম্ভাবনাময় স্বপ্ন।

জানা গেছে, গত ৫ মার্চ রাজধানীর প্রগতি সরণিতে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন তুর্য। তার মৃত্যুতে পরিবারে শোকের মাতম চলছে। থামছে না কান্না। পরিবারের মধ্যমনি এই ছাত্রের জন্য এখনও আঁতকে উঠেন তারা। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন প্রাইভেটকার ড্রাইভ করার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেটি সড়কের পাশে থাকা বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ধাক্কা দেয়। এতে প্রাইভেটকার দুমড়ে-মুচড়ে নিহত হন ওই তুর্য। ভাইয়ের বিয়ের কেনাকাটা করতে গিয়ে ০৫ মার্চ মঙ্গলবার গভীর রাতে রাজধানীর প্রগতি-সরণিতে ওই দুর্ঘটনায় পড়েন তুর্য। এ ঘটনায় ফারদিন খান (২৪) নামে প্রাইভেটকারের অপর যাত্রী তুর্যের মামাতো ভাই গুরুতর আহত হয়েছেন।

গুলশান থানার এসআই আল হেলাল জানান, শাকিল আহমেদ তুর্যের বড় ভাইয়ের বিয়ে উপলক্ষে জরুরি প্রয়োজনে মামাতো ভাইকে নিয়ে বসুন্ধরা যাচ্ছিলেন। এসময় প্রগতি সরণিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি একটি বিদ্যুৎ খুঁটিকে সজোরে ধাক্কা মারে। এতে বিদ্যুৎ খুঁটিটি গোড়া উপড়ে প্রায় কয়েক গজ দূরে সড়ে যায়। প্রাইভেটকারটির দুমড়ে-মুচড়ে ফুটপাত অতিক্রম করে একটি দোকানের শাটার ভেঙে ফেলে। এসময় গাড়ির গ্যাস সিলিন্ডারটি খুলে রাস্তায় পড়ে যায়। অল্পের জন্য এটি বিস্ফোরিত হয়নি। পথচারীরা এসে গাড়ি থেকে আহত দুজনকে উদ্ধার করে অ্যাপোলো হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোরে মারা যান তুর্য।  বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ছাত্রের পরিবারের প্রতি রইলো গভীর শোক ও সমবেদনা।

ad

পাঠকের মতামত