চার দাবিতে আবারো অনশনে ওয়ালিদ আশরাফ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোটকেন্দ্র হলের পরিবর্তে একাডেমিক ভবনে করাসহ চার দফা দাবিতে আবারো অনশনে বসেছেন ওয়ালিদ আশরাফ। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সান্ধ্যকালীন কোর্সের ছাত্র। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অনশন করার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। তবে, এখন পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কেউ তার কাছে যাননি বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার বিকেল তিনটা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্যের বাসভবন সংলগ্ন স্মৃতি চিরন্তন চত্বরে অনশনে বসেছেন ওয়ালিদ। এর আগে গত বছর ডাকসু নির্বাচনের দাবিতে অনশনে বসেছিলেন তিনি।ওয়ালিদের চার দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোটকেন্দ্র হলের পরিবর্তে একাডেমিক ভবনে করা, ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক সহাবস্থান নিশ্চিত করা, ডাকসু নির্বাচনে প্রার্থিতার বয়সসীমা ৪০ বছর করা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণার স্বার্থে নির্বাচন দুই সপ্তাহ পিছিয়ে ২৫ ফেব্রুয়ারি করা।
এ বিষয়ে ওয়ালিদ আশরাফ জানান, সোমবার তিনি ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামানের সঙ্গে দেখা করে লিখিতভাবে তার দাবিগুলো জানিয়ে সেগুলো পুনর্বিবেচনার আবেদন করেছেন। তবে উপাচার্য তাকে কোনো ধরনের আশ্বাস দেননি। তাই আজ থেকে তিনি অনশনে বসেছেন।ওয়ালিদের দাবির বিষয়ে জানতে চাইলে ডাকসু নির্বাচন পরিচালনায় নিযুক্ত প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক এস এম মাহফুজুর রহমান বলেন, এগুলো সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত। প্রশাসন এসব বিষয়ে ভালো বলতে পারবে।এর আগে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় চার দফা দাবিতে একই জায়গায় অনশনে বসেন ওয়ালিদ আশরাফ। তবে রাত ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম ‘নিরাপত্তাজনিত’ কারণ দেখিয়ে তাকে সেখান থেকে উঠিয়ে দেয়।
এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম গোলাম রব্বানী বলেন, ডাকসু নির্বাচনের প্রক্রিয়া এগোচ্ছে। সে (ওয়ালিদ) একজন বহিরাগত। তার উদ্দেশ্য যদি ভালো হয়ে থাকে, তাহলে তাকে আমরা ক্যাম্পাসে এসে এসব না করার পরামর্শ দেব।ওয়ালিদ আশরাফের চারটি দাবি হলো- খোলা মাঠে অথবা তিন পয়েন্টে (টিএসসি, আইইআর এবং আইএসডব্লিউআর) ভোট কেন্দ্র, মিডিয়া ও পর্যবেক্ষকদের নজরদারীর অধিকার, সম্যতা ও সহ অবস্থানের পরিবেশ এবং ৪০ বছর প্রতিনিধিত্বের সুযোগ সৃষ্টি করা।




