261925

বাতের ব্যথা কমবে ঘরোয়া কিছু উপায়ে

বাত এক ধরনের রোগ। শরীরের হাড় বা অস্থির জয়েন্টে ইউরিক এসিড জমা হয়ে এই রোগ হয়ে থাকে। বয়স হলে কিংবা বংশগত ভাবেও বাতের ব্যথা হয়ে থাকে। বাত হলে যে তীব্র ব্যথার সৃষ্টি হয় তা সহ্য করা খুব কষ্টকরই হয়ে পড়ে রোগীর পক্ষে। বাতের ব্যথা কমবে ঘরোয়া কিছু উপায় –

হলুদ-হলুদে থাকা অ্যান্টিইনফ্ল্যামেটরি উপাদান বাতের ব্যথা নিরাময়ে দারুন কার্যকরী। এর জন্য এক চিমটি হলুদ পানিতে দিয়ে ভাল ভাবে ফুটান। পানিটা সোনালি রঙ না হওয়া পর্যন্ত ফুটাতে থাকুন। এরপর মিশ্রনটা গরম থাকা অবস্থাতেই ব্যথার স্থানে লাগান।দিনে দুইবার এই মিশ্রন ব্যবহার করলে আরাম পাবেন।

অশ্বগন্ধা-এ ভেষজ উপাদানটি চুলের উজ্জ্বলতা যেমন বাড়ায় তেমনি মানসিক চাপ ও উৎকণ্ঠাও দূর করে। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, বাতের রোগীদের জন্য অশ্বগন্ধা দারুন উপকারী। অশ্বগন্ধা গুড়ার সঙ্গে সামান্য হলুদের গুড়া মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে ব্যথাস্থানে লাগালে উপকার পাওয়া যাবে।

আদা-গলা ব্যথা, গ্যাস্ট্রিক এবং বদহজমের জন্য আদা দারুন উপকারী। এটি বাতের ব্যথারও দারুন সহায়ক। অল্প পানিতে কয়েক টুকরা আদা ভালভাবে ফুটিয়ে গরম থাকা অবস্থায় ব্যথাস্থানে লাগান। তাহলে উপকার পাবেন।বরফের চাপ দিলে ব্যথা কমবে-হাড়ের গিড়ায় বা অস্থিসন্ধিতে বরফের হালকা চাপ দিলে ধীরে ধীরে ব্যথা কমে যাবে। একটা পাতলা তোয়ালে বা কাপড়ে টুকরা টুকরা বরফ নিয়ে সেটা দিয়ে ব্যথার জায়গায় আস্তে আস্তে চাপ দিন। তবে ভুলেও বরফ সরাসরি ব্যথার স্থানে লাগাবেন না। এতে ব্যথা কমে যাওয়ার বদলে উল্টো ক্ষতি হতে পারে।

ম্যাসাজ-অলিভ ওয়েল, নারিকেল তেল এবং সরিষার তেল একসাথে নিয়ে হালকা গরম করুন। এই তিনটি তেলের মিশ্রণ কুসুম গরম করে সেটি আক্রান্ত স্থানে ১০/১৫ মিনিট ধরে ম্যাসাজ করুন। দেখবেন, ধীরে ধীরে বাতের ব্যথা কমে যাচ্ছে।গরম পানি দিয়ে গোসল-বাতের ব্যথা প্রতিরোধে গরম পানি দিয়ে গোসল করার কোনো বিকল্প নেই। আপনি যদি প্রায়ই বা দীর্ঘদিন ধরে বাতের ব্যথায় আক্রান্ত হয়ে থাকেন, তাহলে গরম পানি দিয়ে নিয়মিতভাবে গোসল করলে বেশ উপকার পেতে পারেন।

ad

পাঠকের মতামত