259685

একটি মুরগির দাম প্রায় দেড় লক্ষ টাকা! (ভিডিও)

আয়াম সিমেনি এটি ইন্দোনেশিয়ার একটি দুর্লভ মুরগী প্রজাতি। এর শরীরের সমস্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গুলি কাল রঙের অর্থাৎ পালক থেকে শুরু করে পা পর্যন্ত থেকে নখ থেকে শুরু করে ঠোঁট পর্যন্ত এমনকি এর জিব্বাও কালো হয়ে থাকে আপনার হয়তো বিশ্বাস হবে না এই প্রজাতির মুরগির মাংস এবং হারের রঙও সম্পূর্ণ কালো।
শুধুমাত্র এর রক্তের রংই লাল। বৈজ্ঞানিকদের কথা অনুযায়ী ফাইব্রা মেলানোসিস নামক এক প্রকার জেনেটিক কন্ডিশনের জন্য, এই প্রজাতির মুরগি গুলির পুরো শরীর কালো রঙের হয়ে থাকে। এর মাংসের দাম বিদেশের বাজারে ২০০০ ডলার অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় এক লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকার মত। আর এই জন্যই এই প্রজাতিটিকে চিকেন প্রজাতির ল্যাম্বারগিনি বলা হয়ে।

ভিয়েতনামিস ড্রাগন চিকেন ( VIETNAMESE DRAGON CHIKEN) :-  আপনি কি কখনো মোটা পা-ওলা মুরগি দেখেছেন, এই মুরগি গুলি দেখে নিশ্চয়ই অবাক হয়েছেন কিন্তু এর থেকে বেশি অবাক হবেন যখন আপনি এর ওজন জানতে পারবেন। তবে আগে বলে রাখি মুরগির এই অদ্ভুত প্রজাতিটিকে ভিয়েতনামের হানুই থেকে ৩০ কিলোমিটার দূর খোয়াই চাউ জেলাতে পাওয়া যায়।সেইখানে এই মুরগি গুলিকে ডং টাও বলা হয়। কোন এক সময় এই মুরগির প্রজাতিটিকে ব্রিড করা হয়েছিল রয়েল পরিবারের জন্য। তবে এর উপরিভাগ দেখতে অসাধারণ মুরগির মতোই। এই ব্রিডের মুরগি বা মোরগ গুলোর ওজন ৬ কিলোগ্রামের নিচে হয় না আর এই অত্যাধিক ওজনের প্রধান কারণ হলো এদের পা। তবে এই মুরগি পালন করা খুবই একটা সহজ নয়। বিদেশের বাজারে এই প্রজাতির একটি মুরগির দাম প্রায় এক থেকে দেড় লক্ষ টাকা।

সিলকাই ব্যান্টম (SILKIE BANTAM ) :-  এটি আমার চোখে সমস্ত মুরগি প্রজাতির মধ্যে সবচেয়ে কিউট মুরগি যাকে যে কেউ পালন করতে চাইবে। সিলকাই ব্যান্টমের শরীর ঘন সিল্কি পশম দ্বারা আবৃত, এই মুরগি গুলি দেখতে এতটাই কিউট যে বিভিন্ন দেশে একে পেট হিসাবে পালন করা হয়। তবে কুকুর বা বিড়ালের বদলে এই পেট রাখার একটি বিশেষ সুবিধা হলো, এই পেটটি মাঝে মাঝে তার মালিককে ব্রেকফাস্ট করিয়া থাকে।

ওণাগাডুরি ( ONAGADORI ) :- ওণাগাডুরি চিকেন প্রজাতির এক ঐতিহাসিক জাপানি ব্রিড। এর বিশেষত্ব হলো এর অসাধারণ লম্বা লেজ, এটিকে দক্ষিণ জাপানের শিখো দ্বীপের কচি প্রান্তে ১৭ শতাব্দীতে ব্রিড করা হয়েছিল। এই প্রাণীটি খুবই দুর্লভ এবং সুন্দর। আর এই জন্যই ১৯৫২ সালে ওণাগাডুরিকে জাপানের রাষ্ট্রীয় প্রাকৃতিক সম্পদ বলে ঘোষণা করা হয়। সূত্র আনুসারে আজ সারা বিশ্বে মাত্র এক হাজারটি ওণাগাডুরি জীবিত রয়েছে। আর যারা এদের পতিপালন করছে তারা এদের সৌন্দর্যের দিকে যথাযথো খেয়াল রেখে চলেছে।

সুমাত্রা চিকেন ( SUMATRA CHICKEN) :- এটি হলো ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের মূলনিবাসী মুরগির একটি প্রজাতি, এই মুরগি গুলিকে ১৮৪৭ সালে সুমাত্রা থেকে আমেরিকা এবং ইউরোপে মনোরঞ্জনের উদ্দেশ্যে আনা হয়েছিল। এই মনোরঞ্জন ছিল এদের লড়াইয়ের, কারন সুমাত্রা চিকেন খুবই আক্রমণাত্মক এবং রাগি, আর তাই এদের মধ্যে লড়াই করানো হত আর মানুষ তা দেখে মনোরঞ্জন করত। কিন্তু আজ এই প্রজাতিটিকে প্রধানত প্রদর্শনী করার জন্য রাখা হয়ে কারণ এর পালোক খুবই আকর্ষণীয়। উৎস: রহস্যের সন্ধানে

 

ad

পাঠকের মতামত