সাবধান! যে অভ্যাস সন্তান না হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ায়
সন্তান না হওয়া বা বন্ধ্যাত্ব নিয়ে সচেতনতা বাড়লেও এই সমস্যাকে একেবারে কমিয়ে ফেলা যাচ্ছে না। চিকিৎসকরা বলছেন, নানা ভাবে জীবনযাত্রা বদলে যাওয়ার কারণেই এই ধরনের সমস্যা বাড়ছে। যদিও বড় কোনো শারীরিক অক্ষমতা না থাকলেও বন্ধ্যাত্বের সমস্যায় অনেকেই পড়ছেন।নারী-পুরুষ সবাই এই সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন প্রায়ই। বন্ধ্যাত্বের সমস্যা নিয়ে আগে মানুষের মধ্যে নানা ভুল ধারণা ছিল। এখন ধারণা পরিবর্তন হলেও সমস্যা রয়েই গেছে। বন্ধ্যাত্ব বা সন্তান না হওয়ার প্রবনতা বেড়ে যাওয়ার অনেকগুলো কারণের মধ্যে মূলত জীবনযাপনের নিয়মই অন্যতম। আপনার প্রতিদিনের কিছু খারাপ অভ্যাসের জন্য এই বড় ধরনের বিপদ হতে পারে।
ধূমপান-ধূমপানের অনেক খারাপ দিকের মধ্যে একটি হলো এটি সন্তান হওয়ার পথে ঝুঁকি তৈরি করে। তামাক শরীরের অন্যান্য ক্ষতি যেমন করে তেমনই নারী ও পুরুষের যৌন হরমোন ক্ষরণের মাত্রা কমায় ও স্পার্ম কাউন্টও কমিয়ে দেয়। পুরুষ ও নারী উভয়ের ক্ষেত্রেই তাই ধূমপান ত্যাগ করা একান্ত প্রয়োজনীয়। অ্যালকোহল-টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমানোর জন্য অন্যতম দায়ী অ্যালকোহল। তাই সন্তান চাইলে আপনাকে অবশ্যই মদ্যপানের আসক্তি কমাতে হবে।
মানসিক অবসাদ-মানসিক অবসাদ স্পার্ম কাউন্ট যেমন কমায় তেমনই যৌন জীবনকে অসুখী করে তোলে। হতাশা বা মানসিক চাপ আসে এমন বিষয় এড়িয়ে চলুন। প্রয়োজন পড়লে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। যত দ্রুত হতাশা কাটাতে পারবেন ততই সমস্যা মিটবে। ওজন-শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ করা শুধু সৌন্দর্য রক্ষার জন্যই প্রয়োজন না। প্রতিদিন ডায়েট মেনে চলা, হাঁটাহাঁটি, কিছু হালকা শারীরিক ব্যায়াম করতেই হবে। অতিরিক্ত ওজন স্পার্মের সংখ্যা কমিয়ে দেয়। বিভিন্ন যৌন সমস্যাকেও ডেকে আনে। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে আজ থেকেই সচেতন হতে হবে।
টিউমার-শরীরে কোনো অসুখের জন্য যদি টিউমার হয়, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। টিউমারের কারণেও স্পার্ম কাউন্ট কমে। এক জায়গায় বসে কাজ-আজকাল বেশির ভাগ অফিসেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা কম্পিউটারের সামনে বসে কাজ করতে হয়। চেয়ার থেকে ওঠা ও হাঁটা কম হওয়ার কারণেও বন্ধ্যাত্বের সমস্যা দেখা দেয় অনেক সময়। কাজের ফাঁকে পেশি ও স্নায়ুকে সক্রিয় রাখতে মাঝে মাঝেই ডেস্ক ছেড়ে উঠে হাঁটুন।
সময়-আজকাল অনেক ছেলে-মেয়েই দেরিতে বিয়ে করেন। ফলে পরিবার পরিকল্পনা করতেও অনেকটা দেরি হয়ে যায়। দুইজনের বয়সই ৩৫ পেরিয়ে গেলে সন্তান না হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। তাই খুব দেরিতে বিয়ে করার চিন্তা থাকলে তা দূর করুন।




