কোটা আন্দোলনের আহ্বায়ক মামুনের ওপর হামলা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ভোটকেন্দ্র হলের পরির্বতে প্রশাসনিক ভবনে স্থাপনের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে স্মারকলিপি দিতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন কোটা সংস্কারের দাবিতে গড়ে ওঠা প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন।আজ সোমবার দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে।মামুনের অভিযোগ, তার ওপর হামলায় সূর্যসেন হল শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি রাইসুল ইসলামের নেতৃত্বে ২০ থেকে ২৫ জন অংশ নেন এবং তারা সবাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাসের অনুসারী।
ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে হাসান আল মামুন বলেন, ‘ডাকসু নির্বাচনের ভোটকেন্দ্র হলের বাইরে করার দাবিতে আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি প্রদানের কর্মসূচি ছিল। সবাই মিলে একসঙ্গে যাওয়ার কথা ছিল। আমি আগে চলে আসায় গ্রন্থাগারের সামনে অপেক্ষা করছিলাম। এ সময় হঠাৎ করেই সূর্যসেন হল শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি রাইসুল ইসলামের নেতৃত্বে ২০ থেকে ২৫ জন অতর্কিতভাবে আমার ওপর হামলা করে।’
মামুন আরও বলেন, ‘আমরা যখনই ডাকসু নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছি, তখন থেকেই কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা শুরু হয়। আমরা যেন ডাকসু নির্বাচনে অংশ না নেই, সে জন্য ভয়-ভীতি সৃষ্টি করতেই এ হামলা করা হয়েছে।’তবে হামলার বিষয়টি অস্বীকার করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস বলেন, ‘আমার নেতাকর্মীরা আমার সঙ্গে মধুর ক্যান্টিনে ছিল। আমরা হামলা করিনি। তাদের (কোটা আন্দোলনকারী) নিজেদের মধ্যে ঝামেলা হতে পারে।’
এদিকে হামলার বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী বলেন, ‘আমরা বিষয়টি অবহিত হয়েছি। ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’




