স্বামী হত্যায় সেই শিক্ষিকার মৃত্যুদণ্ড
রংপুরের আইনজীবী রথিশচন্দ্র ভৌমিক বাবুসোনাকে হত্যার মামলায় তার স্ত্রী স্কুল শিক্ষিকা দীপা ভৌমিককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।মঙ্গলবার জ্যেষ্ঠ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এ বি এম নিজামুল হক এই রায় ঘোষণা করেন।রথিশ-দীপার দুই ছেলেমেয়ের মধ্যে ছেলে আইন বিষয়ে পড়াশোনা করছেন। আর মেয়ে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী।২০১৭ সালের ৩ এপ্রিল রংপুর শহরের তাজহাট মোল্লাপাড়ায় রথিশের বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে একটি নির্মাণাধীন বাড়িতে রথিশের লাশ বালুচাপা দেওয়া অবস্থায় উদ্ধার করে র্যাব।এর আগে রথিশের স্ত্রী দীপা ভৌমিক বলেছিলেন, ৩০ মার্চ ভোরে নগরীর বাবুপাড়া এলাকার বাড়ি থেকে বের হয়ে এক ব্যক্তির সঙ্গে মোটরসাইকেলে করে শহরের দিকে রওনা হন রথীশ।
রথীশ যুদ্ধাপরাধ মামলার স্বাক্ষী ছিলেন বলে সন্দেহের তীর যায় জামায়াতে ইসলামী ও জঙ্গিগোষ্ঠীর দিকে। পরে দীপা ও তার সহকর্মী স্কুলশিক্ষক কামরুল ইসলামকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আটক করে। তাদের স্বীকারোক্তি থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়।দীপা ও কামরুলের পরকীয়া প্রেমের সম্পর্কের জেরে তারা বিয়ে করার জন্য রথীশকে হত্যা করেন বলে আদলতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ।দুই আসামিই তাজহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন। তাদের মধ্যে কামরুল গত ১০ নভেম্বর মারা যান। তিনি ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের সমস্যায় ভুগছিলেন বলে কারা কর্তৃপক্ষ জানায়।




