সংরক্ষিত মহিলা আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সুচি
একাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী সনি আক্তার সুচি। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা থেকে একাধিক প্রার্থী থাকলেও বিভিন্ন জরিপে দেখা গেছে সনি আক্তার সুচিও আলোচনায়।তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার রাজনীতি, সামাজিক, সাংস্কৃতিকসহ বিভিন্ন সেবামূলক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত রয়েছেন।বর্তমানে সনি আক্তার সুচি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের বন পরিবেশ সম্পাদক ও বাঞ্ছারামপুর মহিলা কল্যাণ সমিতির সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন।
কলেজ জীবন থেকেই সুচি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলেছেন। তিনি নারীদের সাবলম্বী ও রাজনৈতিক সচেতনতা গড়ে তুলতে নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন। বাঞ্ছারামপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া রাজনীতিতে সুচির কর্মকান্ড ইতিমধ্যে বেশ প্রশংসার দাবি রাখে।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন তত্বাবধায়ক আমলে গ্রেফতার হন তখন নেত্রীর মুক্তির দাবিতে বিভিন্ন মিছিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত করেন।আলোচিত যুদ্ধাপরাধী কাদের মোল্লাসহ সব যুদ্ধাপরাধীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিলে অগ্রনী ভূমিকা, বাল্য বিয়ে রোধে সচেতনতা, বিভিন্ন স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে মাদক বিরোধী, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদবিরোধী, বাল্যবিয়ে রোধে শপথবাক্য পাঠ করান এবং সচেতনতা বোধ সৃষ্টিতে সনি আক্তার সুচির ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে।
অসহায় দরিদ্র নারীরা নির্যাতনের শিকার হলে কিংবা আর্থিক সংকটে চিকিৎসা করতে না পারলে সুচি তার জেলা পরিষদের সম্মানীর টাকা থেকে সহায়তা করেন। বাঞ্ছারামপুর ও নবীনগর এলাকায় জেলা পরিষদের অর্থায়নে অনেক উন্নয়নমুখী ও সেবামূলক কাজ করেন বেশ সুনাম অর্জন করেছেন।সুচির স্বামীর বাড়ি বাঞ্ছারামপুরের দরিকান্দি গ্রামে। তার বাবার বাড়ি নবীনগর উপজেলার জল্লিকান্দি গ্রামে। কলেজ জীবন থেকেই ছাত্র রাজনীতি করা সুচি এ সময়ে বাঞ্ছারামপুর তথা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নারী রাজনীতিতে একটি শক্ত অবস্থান সৃষ্টি করেছেন।
একান্ত সাক্ষাৎকারে সনি আক্তার সুচি বলেন, আমি তৃণমূলের রাজনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আমাদের দলীয় সব কর্মসূচি, সামাজিক কর্মসূচি ও জাতীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছি। গ্রামের অসহায় বঞ্চিত নারীদের কল্যাণে কাজ করেছি। স্কুল কলেজে গিয়ে গিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও বাল্যবিয়েসহ সামাজিক বিভিন্ন অবক্ষয় নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করেছি।তিনি বলেন, বাঞ্ছারামপুরের রাজনীতিতে আমার রাজনৈতিক গুরু ক্যাপ্টেন তাজ ভাইয়ের দিক নির্দেশনা নিয়ে ইতিমধ্যে মাঠে ময়দানে কাজ করেছি। গ্রামে গ্রামে রাজনীতিতে নারীদেরকে আগ্রহী করে তুলতে নিয়মিত কাজ করছি। আমি পিছিয়ে পড়া নারীদের নিয়ে সবচেয়ে বেশি কাজ করি। সবদিক বিবেচনা করে আশা করি মানবতার মা জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন দিবেন।




