আওয়ামী লীগের ২ গ্রুপের সংঘর্ষে নোয়াখালীতে আহত ২০
নিউজ ডেস্ক।। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নোয়াখালী সদর উপজেলায় যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের ২ গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার বিকালে দাদপুর ইউনিয়নের খলিফারহাটে এ ঘটনা ঘটে। এতে ১০ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। গুলিবিদ্ধদের নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, প্রথমে শিপন সমর্থিত লোকজন জহির মেম্বারের বাড়িতে ও পরে বাজারে অতর্কিতভাবে হামলা ও গুলি চালায়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দলীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা শিপন ও যুবলীগ নেতা জহির মেম্বার গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছিল।
জানা গেছে, কিছুদিন পূর্বে যুবলীগ নেতা জহির মেম্বার গুলিবিদ্ধ হয়। এ ঘটনার মামলায় মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ নেতা শিপন সমর্থিত তিন আসামীর জামিন না মঞ্জুর করে তাদের জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে শিপন সমর্থিত নেতা কর্মীরা খলিফারহাটে জহির মেম্বারের বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় শিশু ও স্থানীয় বাজারের ব্যবসায়ীসহ ১০ জন গুলি বিদ্ধ ও আহত হয় অন্তত আরো ১০ জন। গুলিবিদ্ধরা হচ্ছেন সোলাইমান (২৮), সুমন (২৩), জসিম (৪৫), অহিদ উল্লা (৩৫), সবুজ (২৩), মাসুদ (৩৫), মনির আহমদ (৫৫), সবুজ (২৩), জাকের (৩০) ও শিশু শান্ত (১২)। তাদেরকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ প্রতিবেদক লেখা পর্যন্ত এলাকায় থমথমে ভাব বিরাজ করছে। সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বিকার করে বলেন, শিপন ও জহির মেম্বারের সাথে দীর্ঘদিন ধরে রিরোধ চলে আসছে। আজ (মঙ্গলবার) বিকালে দু’গ্রুফের আবার সংঘর্ষ ও গোলাগুলি হয়। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।




