আসল কথাটাই বলে দিলেন সৌম্য
আসন্ন ওয়ানডে বিশ্বকাপের দল মোটামুটি গুছিয়ে ফেলেছে বাংলাদেশ। উইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ জয় শেষে ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফির কথায় ইঙ্গিত পাওয়া গেল যে, খুব বড়সড় কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। দল তো হলো, কিন্তু মাঠের খেলার জন্য কী প্রস্তুতি টাইগারদের? খেলা হবে তো ইংল্যান্ডের গতিময় উইকেটে। সেখানে সারাজীবন স্পিন খেলে যাওয়া ক্রিকেটাররা কীভাবে সামলাবে ভয়ংকর গতির পেসারদের? কীভাবে সামলাবে শর্ট বল?ইংল্যান্ড তো দূরের বিষয়, ঘরের মাঠেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেস আক্রমণে নাজেহাল হয়েছে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানরা। সিলেটে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে একের পর এক ব্যাটসম্যান আউট হয়েছেন শর্ট বলে।
ব্যাটিং কোচ নেইল ম্যাকেঞ্জি বলেছিলেন, শর্ট বলে ভয় পেয়ে নয়; সাহস করে মারতে গিয়েই আউট হয়েছেন তামিম-লিটন-সৌম্যরা! উইকেট খুব গতিময় বা পেস সহায়ক ছিল না। তবু কাজে লেগেছে ক্যারিবিয়ানদের পরিকল্পনা। ঘরের মাঠেই যদি এই অবস্থা হয়, তবে বিদেশের মাটিতে কী করবে টাইগারা?আজ মিরপুরে মারকুটে ওপেনার সৌম্য সরকার সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘শর্ট বল খেলা আসলে সাহসের ব্যাপার। আর টি-টোয়েন্টিতে শর্ট বলে শট খেলতেই হবে। নইলে স্কোরিংয়ের একটি অপশন কমে যাবে। আমরা শর্ট বলে অনেক উন্নতিও করেছি। শেষ কয়েক ম্যাচে আমরা শর্ট বলে তেমন আউট হইনি। আমাদের কন্ডিশনে বেশিরভাগ সময় স্পিন খেলি, হুট করে একজন গতিময় বোলারকে খেলতে গেলে শুরুতে একটু সমস্যা হতেই পারে। সেটিই আমাদের মানিয়ে নিতে হবে। ভয়ের কিছু নেই।’
সৌম্যর শেষ কথাটি খেয়াল করেছেন? আসল কথাটাই তো বলে দিয়েছেন তিনি! ঘরের মাঠে আজীবন স্পিন ট্র্যাক বানিয়ে খেলে আসছে বাংলাদেশ। সেটা ঘরোয়া ক্রিকেট হোক আর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট হোক- তরিকা একটাই। কোনো দল সফরে এলে বোলিং আক্রমণ সাজানো হয় স্পিনারদের দিয়ে। সর্বশেষ উইন্ডিজের বিপক্ষে পেসারবিহীন একাদশে চার স্পিনার খেলিয়ে তুমুল আলোচনার জন্ম দিয়েছিল বাংলাদেশের টিম ম্যানেজম্যান্ট। সৌম্য বলেছেন অভ্যস্ত হওয়ার কথা; সেই অভ্যস্ত কীভাবে হবেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা? ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের আগে এটাই বড় প্রশ্ন।




