221675

প্রধানমন্ত্রী কাঁদলেন বাবার কথা বলতে গিয়ে

নিউজ ডেস্ক।।  তিনি প্রধানমন্ত্রী। তিনি বাংলাদেশ অাওয়ামী লীগের দীর্ঘদিনের সভানেত্রী। তবে তিনিও মেয়ে। বাবা মায়ের মেয়ে। তাই বাবার স্মৃতি তাকে অাবেগাপ্লুত করে। যেমনি অাবেগাপ্লুত হলেন অাজকে। বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের সফল উৎক্ষেপণ উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত হয়েছিল এক অনুষ্ঠান। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় তিনি তার বাবা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে স্মরণ করে কাঁদলেন। দর্শক সারিতে বসা অনেককে এসময় চোখ মুছতে দেখা যায়।

প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অামার বাবা যে স্বপ্ন ও অাকাঙ্খা নিয়ে এই দেশটা স্বাধীন করেছিলেন, অামি যেন মানুষের সেই অাকাঙ্খা পূরণ করতে পারি, তার স্বপ্নের দেশ হিসেবে যেন বাংলাদেশকে ক্ষুধা মুক্ত, দারিদ্র মুক্ত হিসেবে গড়ে তুলতে পারি, অামি সেই লক্ষ্য নিয়েই কাজ করে যাচ্ছি। অশ্রুসজল অবস্থায় এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ” অামি অাল্লাহ রাব্বুল অালামীণের কাছে দোয়া করি, ১৫ অাগষ্টে যারা শাহাদাত বরণ করেছেন তাদের যেন তিনি বেহেশতে জায়গা করে দেন।”

বাষ্পরুদ্ধ কন্ঠে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যখনই কোন একটা কাজ সম্পন্ন করি, দেশের মানুষের কোন একটা উপকার হয়, তখনই মনে হয় অামার বাবা কী দেখতে পারেন? তারা কী জানতে পারেন? এ কথা বারবার মনে হয় অামার বাবা কী দেখতে পাচ্ছেন তার স্বপ্নের বাংলাদেশকে অামরা এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি?

প্রধানমন্ত্রী এসময় বলেন, তিনি অামাদেরকে সংবিধান দিয়েছিলেন দেশকে অার্থ সামাজিক উন্নয়ন করার জন্য। অামরা চেষ্টা করেছি। সেই লক্ষে ২১ বছর পর অামরা সরকার গঠন করার সুযোগ পাই। সরকার গঠন করেই বাংলাদেশের উন্নয়নের দিকে অামরা দৃষ্টি দেই। প্রথমে অামাদের কাজ ছিল মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা পূর্ণ করা। অামরা বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করি। বাংলাদেশে তখন টেলিফোন ছিল এনালগ সিস্টেম। অামরাই প্রথম ডিজিটাল সিস্টেমে টেলিফোন চালু করি। জনগণের হাতে মোবাইল ফোন পৌঁছে যাওয়ার জন্য বেসরকারিভাবে মোবাইল ফোন উন্মুক্ত করে দিই। পার্বত্য চট্টগ্রামে মোবাইল ফোন ছিল না। অামরাই ক্ষমতায় এসে সবাই যাতে মোবাইল ফোন পায় সেই ব্যবস্থা করে দিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী এসময় বেসরকারি খাতে বিভিন্ন উন্নয়নের কথা তুলে ধরেন। উৎস: একুশে টেলিভিশন।

ad

পাঠকের মতামত