সমকামী দুই নারীর প্রেমের করুন পরিণতি!
আশা ও ভাবনা দুই জনই নারী শ্রমিক। তারা একই কারখানায় কাজ করতেন। দু’জনের পরিচয়ও হয় তাদের কর্মস্থলে। সেখান থেকেই তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক শুরু।
গুজরাটের একটি কারখানায় শ্রমিকের কাজ করতেন আশা ও ভাবনা।
ভারতীয় একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গুজরাটের আহমেদাবাদের সবরমতী নদীতে ঝাঁপ দিয়ে সোমবার (১১ জুন) আত্মহত্যা করেন ওই দুই নারী
জানা যায়, নদীতে ঝাঁপ দেয়ার আগে ওই দুই নারীর মধ্যে একজন তিন বছরের কন্যা সন্তানকেও নদীতে ছুঁড়ে ফেলে দেন। তারপরে তারা দু’জন একসঙ্গে মিলে সবরমতী নামক নদীতে ঝাঁপ দেন।
নিহতরা হলেন- আশা ঠাকুর (৩০) এবং ভাবনা ঠাকুর (২৮)। নদীতে ছুঁড়ে ফেলে ৩ বছরের মেয়েটি আশারই সন্তান বলে জানা গেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আশা ও ভাবনার মধ্যে সমকামী সম্পর্ক ছিল। কিন্তু কিছুদিন আগে সেই সম্পর্ক জানাজানি হয়ে যায়। এতে করে মানসিক ভাবে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েন ওই দুই নারী। আশা ও ভাবনা দুজনই বিবাহিত। ভাবনা নামের নারী শ্রমিকের দুটি ছেলে সন্তান আছে।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, আশা ও ভাবনা একই কারখানায় শ্রমিক ছিলেন। সেখান থেকে তাদের দুজনে মধ্যে আলাপ-পরিচয় হয়। তার পরে থেকে শুরু হয় প্রেমের সম্পর্ক।
এ ঘটনায় একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেখানে লিখা আছে, পৃথিবী ছেড়ে তারা অনেক দূরে চলে যাচ্ছে, এই জগৎ তাদের একসঙ্গে থাকতে দেবে না।
সমকামী সম্পর্কে জটিলতা তৈরির জেরেই ওই দুই নারী আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় আশা ও ভাবনার পরিবারকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে গুজরাট পুলিশ।




