মিরাজের গায়ে হাত তোলা নিয়ে যা বললেন সাব্বির
আফগানিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচে একাদশে বাহিরে ছিলো বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি স্পেশালিষ্ট খ্যাত সাব্বির রহমান কিন্তু এ নিয়ে দেশের প্রথম সারির বিভিন্ন গণ্যমাধ্যমে এসেছে সাব্বির রহমান শারীরিক সংঘর্ষ ও বাকবিতণ্ডা জরিয়ে পরেছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজের সাথে যার যেরেই একাদশের বাহিরে রাখা হয় সাব্বিরকে।
তাকে নিয়ে এমন বিতর্ক যখন বাংলাদেশের ক্রিকেট অঙ্গনে তখনই এ নিয়ে গত ১০ জুন রাতে ফেসবুক লাইভে আসেন সাব্বিরে রহমান আর লাইভের ক্যাপশন লিখেছেন, ‘আশা করি, সবাই শুনবেন এবং যাদের মধ্যে ভুল ধারণা আছে সেটা দূর হবে। অনেক ধন্যবাদ ছোট ভাই মেহেদি হাসান মিরাজকে আপ্যায়ন করার জন্য’ ♥।
লাইভে এসে প্রথমেই বাংলাদেশ উইম্যান্স টিমকে (মহিলা দল) শুভেচ্ছা জানান সাব্বির। তিনি বলেন, ‘একটা বিশেষ কারণে লাইভে এসেছি। আপনারা জানেন বাংলাদেশ উইম্যান্স টিম এশিয়া কাপ জিতেছে। বাংলাদেশ উইম্যান্স টিমকে অনেক অনেক অভিনন্দন। ওরা অনেক বড় একটা কাজ করেছে। এটা বাংলাদেশের অনেক বড় একটা এচিভমেন্ট, উইম্যান্স টিমের হয়ে। যেটা আমরা বাংলাদেশের বয়েজ টিম করতে পারি নাই সেটা উইম্যান্স টিম করেছে’।
এরপর বিতর্কিত বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন সাব্বির রহমান। তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘আসলে আমাদের মধ্যে একটা মিস আন্ডারস্ট্যান্ডিং হয়েছে। আপনারা হয়তো শুনেছেন। অনেক সময় পরিবারের মধ্যে এমন হয়। মিস আন্ডারস্ট্যান্ডিং। যেটা পরিবারের মধ্যেই থাকা উচিত। আসলে বড় হয়ে ওর সাথে এমন কাজটা করা আমার উচিৎ হয়নি। বাট চেষ্টা করি সবসময় ছোট ভাইদের ভালোবাসা বা স্নেহ করার জন্য। অ্যাজ এ ছোট ভাই ওর (মিরাজের) সাথে আমার ভালো সম্পর্ক’।
এ সময় মেহেদী হাসান মিরাজও বিষয়টা নিয়ে কথা বলেন, ‘আসলে বিষয়টা নিয়ে অনেকের নেগেটিভ ধারণা। অনেক মানুষ অনেক কমেন্ট করতেছে যে আমাদের ভিতরে কি মিস আন্ডারস্ট্যান্ডিং হইছে। আসলে তেমন কিছুই না। আমার কাছে মনে হইছে যে অনেক সময় একসাথে থাকলে অনেকের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। কিন্তু অনেকে মনে করছে যে আমার সাথে সাব্বির ভাইর মারামারি হইছে। আসলে তেমন কিছুই না। (এ সময় সাব্বিরও বলেন, মারামারি না)। আসলে সাব্বির ভাই আমাকে অনেক আদর করে, ভালোবাসে অনেক আগে থেকেই।’
উল্লেখ্য, শৃঙ্খলাভঙ্গের কারণে এ বছরের শুরু থেকেই শাস্তির মাঝে আছেন সাব্বির রহমান। এছারা কিশোর মারার অভিযোগে কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে বাদ পড়েছেন সাথে ২০ লাখ টাকা জরিমানাও দিয়েছেন তিনি। আর ঘরোয়া লিগে ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞা এখনও আছে।




