218306

ভাইকে বেঁধে দুই ছাত্রীকে গণধর্ষণ, আটক ১

ডেস্ক রিপোর্ট।। কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী উপজেলা মসূয়া ইউনিয়নে ভাইকে বেঁধে রেখে দুই স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (৩১ মে) রাতে ইউনিয়নের কাজীরচর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সংবাদ পেয়ে শনিবার (২ জুন) রাতভর অভিযান চালিয়ে এ ঘটনায় জড়িত মোস্তফা নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। মোস্তফা কাজিরচর গ্রামের তাজুল ইসলামের ছেলে বলে জানা গেছে। সে পেশায় সিএনজি চালক।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে তারাবিহর নামাজ চলার সময় দুই বান্ধবী চাচাতো ভাই মিজানকে নিয়ে পার্শ্ববর্তী এলাকায় এক বান্ধবীর বাড়িতে যাচ্ছিল। রাস্তায় মোস্তফা মোটরসাইকেলে যাওয়ার সময় তাদেরেকে দেখতে পায়। কিছুক্ষণ পর সে আরও একটি মোটরসাইকেলে জীবন মিয়া, মনির মিয়া ও ইব্রাহিমকে নিয়ে কাজীরচর গ্রামের কলাতলী পাড়া নামক স্থানে তাদের পথরোধ করে। মোটরসাইকেল দুটি রাস্তার পাশে রেখে দুই স্কুলছাত্রী ও মিজানকে পার্শ্ববর্তী ব্রহ্মপুত্র নদীর পাড়ে লেবু বাগানে নিয়ে যায়। চাচতো ভাই মিজানকে বেঁধে রেখে দুই ছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে এবং যাবার সময় মিজানের সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোনটি নিয়ে যায়। এ বিষয়ে কিছু বলতে ও মামলা করলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি প্রদর্শন করে। ধর্ষকদের হুমকিতে ছাত্রীর অভিভাবকরা বিষয়টি গোপন রাখেন।

কিন্তু ঘটনা মোড় নেয় মিজানের মোবাইল ফোনটি ফেরত না দেয়ায়। ধর্ষকরা তার মোবাইল ফোনটি ফেরত দিতে অস্বীকার করলে মিজান বিভিন্ন লোকের কাছে বিষয়টি জানাতে থাকে। এক পর্যায়ে মিজানের মোবাইল ফেরতের বিষয় থেকে ধর্ষণের ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। শনিবার রাতে ঘটনাটি বিষয়ে পুলিশের কাছে সংবাদ আসলে কটিয়াদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাকির রব্বানীর নেতৃত্বে গভীর রাতে মসূয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে অভিযান চালিয়ে মোস্তফাকে আটক করে পুলিশ। পুলিশী জিজ্ঞাসাবাদে গণধর্ষণের ঘটনা কথা স্বীকার করে এবং সঙ্গীদের নাম বলে দেয়।

কটিয়াদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাকির রব্বানীর জানান, ঘটনাটি আমাদেরকে কেউ অবহিত না করায় ব্যবস্থা নিতে বিলম্ব হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে শনিবার রাতে সংবাদ পেয়ে অভিযান চালিয়ে মোস্তফাকে আটক করা হয়েছে। রবিবার (৩ জুন) রাত ১১টায় এ ঘটনায় একটি মামলা রুজু হয়েছে। উৎস: বিডি-জার্নাল।

ad

পাঠকের মতামত